প্রচ্ছদ চিত্র

দ্য সিক্রেট নাজকা লাইন: যার প্রকৃত সত্য আজও রহস্যাবৃত

3.6
(17)
Bookmark

No account yet? Register

পৃথিবীর প্রত্যেক জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য রহস্য। যার অল্প কিছু এখন পর্যন্ত উদঘাটন হয়েছে এবং অন্যগুলো সম্পর্কে মানুষ এখনও ধারণা লাভ করতে সক্ষম হয়নি। ঠিক তেমনই এক রহস্যের নাম নাজকা লাইন। নাজকা লাইন হচ্ছে পৃথিবীর ভূ-খন্ডে এমন এক আশ্চর্যজনক সৃষ্টি যা দেখলে মানব সভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে আপনাদের ধারণাই পাল্টে যাবে। ধারণা করা হয় নাজকা লাইনে কয়েক হাজার বছর আগে কোনো উন্নত সভ্যতা ছিল, যা পরে কোনো এক ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে অথবা প্রাচীনকালে কোনো বুদ্ধিমান ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনের দল পৃথিবীতে এসেছিল যারা এই নিদর্শনগুলো রেখে গিয়েছে। আজ আমাদের আলোচনা সেই রহস্যেঘেরা নাজকা লাইন সম্পর্কে।

নাজকা লাইন প্রাচীন সভ্যতার বুদ্ধিমত্তার প্রতীক, নাকি ভিনগ্রহের প্রাণি বা এলিয়েনদের স্মৃতিচিহ্ন? এই প্রশ্নটি সবার মনেই বিরাজমান। সেখানকার বাসিন্দারা মনে করে থাকেন, নাজকা লাইন হচ্ছে ইনকা দেবতাদের নকশা। আবার বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, নাজকা লাইন ছিল এলিয়েনদের ইউএফও বা মহাকাশযান অবতরণের জায়গা।

ইতিহাস

নাজকা লাইন পেরুর নাজকা মরুভূমিতে অবস্থিত। যা লিমা শহর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নাজকা এবং পাল্পা শহরের মাঝে অবস্থিত। মরুভূমিটির প্রায় ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে আঁকা হয়েছে অসংখ্য নকশা। জীবজন্তু, ফুল, গাছ, এলিয়েন সহ আরও অসংখ্য জ্যামিতিক নকশা। এসব নকশার কোনো কোনোটি আবার ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

১৯৩০ সালে নাজকা লাইন সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয় । তখন এই এলাকা দিয়ে প্রথম বিমান চলাচল শুরু হয়। বিমানের যাত্রীরা এই বিশাল নকশা ও ছবি দেখে অবাক হয়ে যায়। তার পত্রিকা অফিসে খবরটি জানালে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তখন থেকেই নাজকা লাইন পৃথিবীর অন্যতম রহস্যময় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কিন্তু নাজকা লাইনের নির্মাতা সম্পর্কে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে বেশিরভাগ গবেষকেরা ধারণা করেন, সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০-৬৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই নকশাগুলো এঁকেছিল।

এলিয়েনের নকশা
নাজকা লাইনে এলিয়েনের নকশা ; চিত্রসূত্র: CNN

আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০-৬৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে নাজকা লাইনগুলো আঁকা হয়েছে। কিন্তু তখনকার মানুষদের কাছে না ছিল কোনো উন্নত প্রযুক্তি বা উন্নত যন্ত্রপাতি। তাহলে ছবিগুলো পাথরের মরুতে আঁকা হলো কীভাবে? বিজ্ঞানীদের গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, নাজকাতে নকশা ও ছবি আঁকা হয়েছে আয়রন অক্সাইডসমৃদ্ধ লালচে বাদামি নুড়ি পাথর সরিয়ে ভেতরের অপেক্ষাকৃত সাদা মাটিকে উন্মোচন করে।

নকশার প্রকৃতি

নকশাগুলোর বেশিরভাগ লাইনই ৪-৬ ইঞ্চি গভীর যা শক্ত কাঠের টুকরো এবং পাথর দ্বারা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তাদের আঁকা ছবিগুলো নকশামত হচ্ছে কিনা তা তারা কীভাবে দেখেছিল? অবশ্যই ছবিগুলো আঁকার সময় তা নকশামাফিক আঁকা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য কাউকে না কাউকে অনেক উপরে উঠতেই হয়েছিল। কিন্তু সেটাইবা কি করে সম্ভব? তখন তো উড়োজাহাজ আবিস্কার হয়নি। আর আশেপাশে তো কোন পাহাড়ও নেই।

আরও পড়ুন: এরিয়া ৫১: পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও গোপন জায়গা

নাজকা লাইনের বেশিরভাগ নকশা এতটাই বিশাল যে তা দেখতে হলে কমপক্ষে ১০০ ফুট উপরে উঠতে হবে। কিন্তু প্রাচীন সভ্যতার পক্ষে সেটি ছিল সম্পূর্ণ অসম্ভব। ধারণা করা হয় নাজকার প্রাচীন বাসিন্দারা বেলুন আবিষ্কার করেছিল। তা দিয়ে তারা আকাশে উড়তে পারত।

যদিও এ যুক্তি অনেকেই মানতে চায় না। কারণ তারা যদি বেলুন আবিষ্কার করেই থাকতো তাহলে সে প্রযুক্তি হঠাৎ হারিয়ে গেল কীভাবে? তাছাড়া বেলুন ব্যবহারের কোনো প্রমাণও তাদের সভ্যতার ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যায় না। আবার অনেক গবেষকরা ধারণা করেন যে, প্রথমে ছোট নকশা আঁকা হতো তারপর এর অনুকরণে বড় করে মুল নকশাটা আঁকা হত। কিন্তু এখানেও পর্যবেক্ষণের সমস্যা রয়ে যায় তাই এই ধারনাও তেমন গ্রহণযোগ্য নয়।

নাজকা লাইনে যেসব নকশা দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে হামিং বার্ড, শকুনের প্রতিকৃত, সারস, এলিয়েন সদৃশ্য অবয়ব, মাকড়সা, জলচর পাখি, কুকুর, হাত এবং বানর ইত্যাদি।

তৈরির উদ্দেশ্য

নাজকা লাইনে অদ্ভুত প্রাণীদের নকশা
নাজকা লাইনে অদ্ভুত প্রাণীদের নকশা ; চিত্রসূত্র: CNN

নাজকা লাইন সম্পর্কে মানুষের সবচেয়ে বড় ৩টি প্রশ্ন হচ্ছে নাজকা লাইনে এত রকমের নকশা আঁকার উদ্দেশ্য কী? কীভাবেই বা এই নকশাগুলো আঁকা হয়েছে? কেন এই ছবি এবং নকশা আঁকা হয়েছে?

যদিও বিজ্ঞানী আর প্রত্নতাত্ত্বিকরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আসলে কি তাদের উত্তর গ্রহনযোগ্য?

নাজকা লাইন আঁকা হয়েছে মরুময় অঞ্চলের শক্ত পাথরের জমির উপর। এই এলাকায় সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। তাই এমন একটি স্থানে এই ধরনের জটিল সব নকশা আর ছবি আঁকার মানে কি হতে পারে তার কোনো কূলকিনারা খুঁজে পায়নি গবেষকরা। তবে কিছু গবেষক একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা মনে করেন, প্রাচীন নাজকার বাসিন্দারা তাদের ধর্মীয় রীতিনীতির অংশ হিসেবে এই নকশাগুলো তৈরি করেছিল।

আবার কেউ বলেছেন, এই নকশাগুলো ছিল মূলত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালেন্ডার, যা ব্যবহার করে নাজকার অধিবাসীরা দিন তারিখ গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা রাখার চেষ্টা করতো। তবে সবচেয়ে বেশি গবেষক একমত হয়েছেন যে, বৃষ্টিপাতের জন্য প্রার্থনা ও পানি প্রবাহের রেখার জন্য এগুলো তৈরি করা হয়েছিল।

কিন্তু তাই যদি হয় তাহলে ২টি প্রশ্নের উত্তর অজানাই রয়ে যায়। প্রথমত পানি প্রবাহের জন্য সরল লাইন বা রেখা করাটাই অধিক যুক্তিযুক্ত ছিল, এমন পশু পাখির নকশা আঁকার কি প্রয়োজন ছিল? এবং দ্বিতীয়ত এলাকাটির জলবায়ু অতীতে যে খুব বেশি পরিবর্তিত ছিল তেমন কোনো নিদর্শন পাওয়া যায়নি। তাহলে এই লাইনগুলো দিয়ে পানি কীভাবে আসতো?

নাজকা লাইনে মাকড়সার নকশা
নাজকা লাইনে মাকড়সার নকশা ; চিত্রসূত্র: CNN

বিজ্ঞানী ও প্রত্নতাত্ত্বিরা নাজকা লাইনের রহস্য সম্পর্কে গ্রহণযোগ্য কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলে কিছু আজব তত্ত্ব চালু হয়েছে।

নাজকা লাইন সম্পর্কিত কিছু গুজব

সুইস গবেষক ‘এরিখ ভন দানিকেন’ এর মতে, নাজকা লাইন এলিয়েনদের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছিল। এলিয়েনদের সহায়তায় নাজকার প্রাচীন বাসিন্দারাই এগুলো তৈরি করেছিল। এবং তিনি মনে করেন নাজকা মূলত ছিল এলিয়েনদের বিমানবন্দর। যেখানে এলিয়েনদের স্পেশসিপ বা মহাকাশযান ওঠানামা করতো। আর এখানে আঁকা সব নকশা মূলত স্পেশসিপ ওঠানামারই সঙ্কেত।

‘এরিখ ভন দানিকেন’ এর এই তত্ত্ব বেশ আকর্ষণীয় এবং চমকপ্রদ হলেও পর্যাপ্ত কোনো প্রমাণ না দিতে পারায় তার এই তত্ত্বের সত্যতা নিরূপণের কোন সুযোগ নেই। তাই তো, সেই ১৯৩০ সালে আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে আজও এই নাজকা লাইনের রহস্যের কোন সমাধান হয়নি। ভবিষ্যতে কি এর কোন সমাধান পাওয়া যাবে? সেটি এখনো অজানা গোটা বিশ্বের কাছে।

অজানা তথ্য

ধারণা করা হয়, সে সময় কালে ‘ভিরাকোচা’ নামক এক ইনকা শাসক নাজকা লাইন এবং নকশাগুলোর অনুমোদন করেন। এই ‘ভিরাকোচা’ ছিলো দেবদেবীর মধ্যে অন্যতম প্রধান একজন দেবতা। তাঁকে সব কিছুর স্রষ্টা হিসেবে মানা হয়। সহজ অর্থে ‘ভিরাকোচা’ এমন এক সত্তা যা থেকে সমস্ত কিছু সৃষ্টি হতো।

সকলের মনে অনেক প্রশ্নই জাগে কিভাবে এই নাজকা লাইনের সৃষ্টি? কিভাবেই বা এই লাইন এতো দীর্ঘতর সময় ধরে টিকে আছে? কেন এই লাইনগুলোর কোন বিকৃতি ঘটে না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সংক্ষেপে তুলে ধরা যাক।

নাজকা লাইনের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের চেষ্টা

এসব রেখার নকশা অঙ্কিত হতো একটি বিশেষ পদ্ধতিতে। গবেষকদের মতে, লালচে-বাদামী আয়রন অক্সাইড আবৃত নুড়ি পাথর যা ভূপৃষ্ঠকে ঢেকে রাখে সেসব বস্তু সরিয়ে বানানো হতো। ভূমির উপরিস্থ পাথর যা অক্সিডাইজড হওয়ার কারণে গাঢ় ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে এবং যখনই উপরিস্থল হতে ১২-১৫ ইঞ্চি পাথর সরিয়ে নেয়া হয় তখন হালকা বর্ণের অতি উজ্জ্বল বালুকণার দেখা পাওয়া যায়। এভাবেই চিত্রকর্মগুলোর সৃষ্টি হয়েছিল বলে গবেষকদের ধারণা।

নাজকা লাইন থেকে পাওয়া এলিয়েনের দেহ
নাজকা লাইন থেকে পাওয়া এলিয়েনের দেহ ; চিত্রসূত্র: DC

এবার আসা যাক এই রেখাগুলো এত দীর্ঘ সময়কাল ধরে টিকে থাকার রহস্য সম্পর্কে। বলতে গেলে নাজকা মরুভূমির উষ্ণ, শুকনো পরিবেশ, বৃষ্টি স্বল্পতা এবং টানা রোদ যা রেখাগুলোর টিকে থাকার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। যখন একটি আস্তরণ দীর্ঘদিন ধরে রয়ে গিয়ে পরে কঠিন আঁকার ধারণ করে যা যেকোনো ধরণের প্রতিকূলতা হতে রেখাকে রক্ষা করে। তবে অনেকের মতে, এই মরুভূমিতে আগে আরো রেখার অস্তিত্ব ছিল যা হতে পারে মুছে গিয়েছে বা বিলীন হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয়টি হচ্ছে প্রায় ৫০০ থেকে ২০০০ বছর ধরে এভাবেই টিকে আছে চিত্রকর্মগুলো।

নাজকা লাইন অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন

সময়কাল ২০১৪ সাল। একটি তীব্র ধুলো ঝড় বয়ে যায় নাজকা মরুভূমির উপর দিয়ে। এই ঝড়ের মাধ্যমেই আবিষ্কৃত হয় আস্তরে ঢাকা ২টি নতুন রেখা যা ছিল একটি সাপ আরেকটি ছিল উদ্ভিদ লতা। তার মধ্যে সবচেয়ে জটিল অঙ্কন ছিল একটি মাকড়সার চিত্রকর্ম। ‘এডলার প্লানেটারিয়াম’ এবং প্রটেজ অফ রেইসের সিনিয়র ‘এস্ট্রোনোমার ফিলিস পিটলুগা’ চিত্রকর্মটিকে একটি ‘আনামোরফিক ডায়াগ্রাম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

সময়কাল ২০১১ সাল, একদল জাপানী গবেষক খুঁজে পেলেন প্রায় ৪ মিটার লম্বা এবং ৩ মিটার প্রস্থের এক নতুন নকশা যা ছিল শিরোচ্ছেদের দৃশ্য। অন্যান্য সব নকশার চেয়ে এটি ছিল অনেক ছোট আকৃতির এবং ভালোভাবে খেয়াল না করলে নজরে পড়ার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ।

একই দল আবার ২০১৬ সালে আরেকটি নকশা খুঁজে পেয়েছিল। এটি ছিল ৯৮ ফুট লম্বা অলীক সৃষ্টি, যার ছিল অসংখ্য পা এবং চিহ্নিত দাগ আর জিহ্বা বের করা। ‘ট্রফি হেডস’ সম্পর্কে সর্বপ্রথম জানা প্রত্নতত্ত্ববিদ হচ্ছেন ‘ম্যাক্স উহলে’। ২০০৯ সালের এক গবেষণায় জানা যায় অধিকাংশ খুলি একই নিবাসীদের যাদের দাফন করা হয়েছিল সেখানে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০টিরও বেশি মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এদের ইতিহাসও অনেকটা মর্মান্তিক। প্রথমে মাথা ধড় হতে আলাদা করে অতি ধারালো ছুরি দ্বারা কশেরুকাসন্ধি বিচ্ছেদ করা হতো। খুলির উপরিতল ভেঙ্গে ভেতরের নরম কোষ, জিহ্বা, পেশি মাংস এবং কণ্ঠনালী সরিয়ে ফেলা হতো। একইভাবে মগজ ফেলে দেয়া হতো। খুলির মাঝ বরাবর ছিদ্র করে রশি ঢুকানো হতো এবং দালান বা কোমরে ঝুলানো হতো। এছাড়াও ঠোঁট দুটো পিনের মাধ্যমে সেঁটে দেয়া হতো।

এলিয়েনদের দেওয়া বার্তা
নাজকা লাইনে এলিয়েনদের দেওয়া বার্তা ; চিত্রসূত্র: RT

ভবিষ্যৎ ভাবনা

তবে সাম্প্রতিক কালের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত অমূল্য সৃষ্টির অস্তিত্বের। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তন মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে নাজকা লাইনের জন্য। উদাহরণস্বরূপ, সামান্য একটু ভারী বৃষ্টিই যথেষ্ট নাজকার এই অপূর্ব সৃষ্টিকর্ম মুছে নেয়ার জন্য।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘গ্রীণপিচ’ একটি জনসচেতনতামূলক মহড়া আয়োজন করে। যেখানে হামিং বার্ডের নকশার পাশের স্থানেই সারিবদ্ধভাবে কাপড়ের চিরকুট সাঁটানো হয়েছে যা শুধুমাত্র উপর হতেই দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট নকশাকারে লেখা রয়েছে টাইম ফর চেঞ্জ, দ্য ফিউচার ইজ রিনিউবল গ্রিনপিস। বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা মনে করে থাকেন যে, এই লেখাটি ভিনগ্রহের প্রাণীদের দেওয়া একটি সাংকেতিক বার্তা বিশ্ববাসীর জন্য।

প্রচ্ছদ চিত্রসূত্র: Zedge

তথ্যসূত্র:

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on দ্য সিক্রেট নাজকা লাইন: যার প্রকৃত সত্য আজও রহস্যাবৃত

কমেন্ট করুন

অসামান্য

error: Content is protected !!