বিজ্ঞান

parallel-universe-feature-image

প্যারালাল ইউনিভার্স: বাস্তব নাকি কল্পকাহিনি?

কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের মতে আমাদের মহাবিশ্বের মতোই সমান্তরাল আরও কিছু মহাবিশ্ব এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে রয়েছে। অর্থাৎ আমাদের পৃথিবীর মতো আরও কিছু পৃথিবী রয়েছে যেখানে সময় উল্টোদিকে প্রবাহিত হয় আর এক মহাবিশ্বের অস্তিত্বের কথা অন্য সব মহাবিশ্ব জানে না।

কৃত্রিম মাংস: ভবিষ্যৎ পৃথিবীর সম্ভাব্য আমিষ উৎস (পর্ব ১)

বেশ কিছু বছর ধরেই নিরামিষভোজীদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে আমিষভোজীদের জন্য অন্য কোনো উদ্ভিজ্জ আমিষ উৎসের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা। এক্ষেত্রে, কারণ হিসেবে তারা বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে চান। এই পরিস্থিতিতে শ্যাম রাখি, আবার কূলও রাখি এর মতো উপায় নিয়ে হাজির হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের হাতের সেই মোক্ষম অস্ত্র হল কৃত্রিম মাংস। চলমান নিবন্ধ এই কৃত্রিম মাংস বিষয়েই।

hacker

হ্যাকিং: অন্ধকার সাইবার জগতের মনস্তাত্ত্বিক খেলা

সহজ ভাষায় যদি আমরা হ্যাকিংকে সজ্ঞায়িত করতে চাই তাহলে বলতে হয়, হ্যাকিং হচ্ছে এমন এক ধরনের বেআইনী প্রচেষ্টা যার মাধ্যমে একজন ব্যাক্তি গোপনীয় তথ্যকে তার অনিচ্ছা এবং অজ্ঞতাসারে হাসিল করা। আপনি হয়ত ভাবছেন বিষয়টা কতটা মজার হতে পারে যদি আপনি সিস্টেমটা জানতেন, তবে হয়ত আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে অনেক মজা করতে পারতেন। আপনার হয়ত ধারণাই নেই যে এই বিষয়টা কতটা ভয়ানক হতে পারে। হ্যাকিং যতটা কঠিন বিষয় ঠিক ততটাই মারাত্মক হতে পারে একজন মানুষ, প্রতিষ্ঠান বা দেশের জন্য। আপনি হয়ত জানতেও পারবেন না যে একজন হ্যাকার আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের সকল তথ্য নিয়ে যাচ্ছে যেখানে থাকতে পারে আপনার ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইল। থাকতে পারে কোন অন্তরঙ্গ ছবি বা আরো অনেক কিছু যা হয়ত আপনি অন্য যে কাউকে দেখাতে বা জানাতে ভয় পান।

ভ্যাক্সিন আবিষ্কার: ড. এডওয়ার্ড জেনার এবং মানবজাতির বসন্তজয়

ভ্যাক্সিন মানবসভ্যতার জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। সারা পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি শিশুমৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে। এডওয়ার্ড জেনারের এই মহান আবিষ্কার পৃথিবীবাসী চিরদিন স্মরণে রাখবে।

heart

হৃদপিণ্ড: বিস্ময় ও সমস্যা, পর্ব ১ – সাধারণ পরিচিতি

হৃদপিণ্ড হলো মানবদেহের একটি অঙ্গ যা রক্ত পাম্প করে এবং সারা দেহে রক্ত পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। হৃদপিণ্ড হৃদপেশি নামক এক বিশেষ পেশি নিয়ে গঠিত যার গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো। হার্ট এর একটা খোলস থাকে যাকে বলে পেরিকর্ডিয়াম। পেরিকার্ডিয়ামকে ঢালের সাথে তুলনা করা যায়, কেননা বাইরে কোন আঘাত আসলে প্রথমে সে-ই প্রতিরোধ করে।

এরিয়া ৫১: পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও গোপন জায়গা

পৃথিবীর নিয়মকানুনকে প্রায়ই আমরা সহজ-সরল ভাবি। ভেবে থাকি যে, নিজেদের যুক্তিতর্ক দিয়ে আমরা সব কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারবো। কিন্তু তিক্ত সত্য হলো, কথাটা মিথ্যা। আপনি যদি পৃথিবীর কোনো অতি সাধারণ মানুষ হয়ে থাকেন, তবে অনেক রহস্যই আপনার সামনে অনাবৃত অবস্থায় থাকবে।

final feature sidis

উইলিয়াম জেমস সিডিস: ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যক্তি

উইলিয়াম জেমস সিডিস ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন এবং বিজ্ঞানী নিউটন থেকেও অধিক আইকিউ সম্পন্ন।

স্টেথোস্কোপের জন্ম কথা

স্টেথোস্কোপ আবিষ্কার: মেয়ে ভীতি থেকে যে যন্ত্রের জন্ম

এক গাদা কাগজ গুটিয়ে তিনি একটি ফাপা চোঙার মতাে বানালেন। সেই কাগজের চোঙা হাতে করে রােগীর ঘরে উপস্থিত হলেন। সবাই ভাবল, এ আবার কি অদদ্ভুত কান্ড! কিন্তু ডাক্তারের অন্য কিছুর প্রতি কোনো খেয়াল নেই, গম্ভীরভাবে রােগিণীর দিকে এগুলেন। তারপর সেই কাগজের চোঙার একদিকের খােলামুখ তার বুকে বসালেন আর অন্যদিকে নিজের কান চেপে ধরলেন। হৃদস্পন্দন শােনার পর ফুসফুস দিয়ে শ্বাস- প্রশ্বাসের শব্দও তিনি শুনলেন। আনন্দে তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল। শব্দগুলাে এত জোরে শােনা যাচ্ছিল যে মনে হলো যেন কানে কানে ওরা কত কথাই বলছে।এরপর নতুন বানানাে চোঙটি নিয়ে দৌড়ে তিনি রােগীদের ওয়ার্ডে গেলেন। একজনের পর একজনকে পরীক্ষা করে চললেন এই নতুন উপায়ে। উত্তেজনায় তার শরীর থরথর করে কাঁপছিলাে। নার্স-ডাক্তার হাসপাতালের সব লােক তার এই আজব কাণ্ড দেখে অবাক হয়ে গেলেন। সবাই বলাবলি করতে লাগল ডা. লেনেক কি হঠাৎ পাগল হয়ে গেলেন নাকি? তাঁর কিন্তু সেদিকে মােটেই খেয়াল নেই। নতুন আবিষ্কারের নেশায় তখন তিনি মেতে উঠেছেন।

রকেট বৃত্তান্ত: রকেট যখন বিজ্ঞান ও যুদ্ধক্ষেত্রে (পর্ব-০২)

রকেট বৃত্তান্ত ধারাবাহিকের প্রথম পর্বে আমরা দেখেছিলাম কীভাবে ধীরে ধীরে রকেটের বিকাশ হয়। আতশবাজি থেকে কীভাবে রকেট হয় একটি যানবাহন। কিন্তু আমরা বিজ্ঞানে তখনও রকেটের আগমন তথা রকেটকে বিজ্ঞানের বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে দেখি না। এরপর সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংরেজ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনের (Sir Isaac Newton) গতির তিনটি সূত্র দ্বারা রকেট কীভাবে কাজ করে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। এই পর্বের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে রকেটের যাত্রা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে রকেটের ব্যাপক ব্যবহার।

মিলিয়ন ডলার এর গণিতের সাত সমস্যা

ভাবতে অবাক লাগলেও ২০০০ সালে Clay Mathematics Institute (CMI) এর পক্ষ থেকে এক ঘোষণা দেয়া হয়। সাতটি গাণিতিক সমস্যা যার প্রতিটি সমাধানে থাকছে ১ মিলিয়ন ডলার (যদিও একটি এতদিনে সমাধান করা হয়ে গেছে তবে বাকি আছে আরও ছয়টি)! আর সেগুলো নিয়ে “অসামান্য” পাঠকদের কিছুটা জানাতেই এই নিবন্ধ। এই নিবন্ধে গাণিতিক ব্যাপারের চেয়ে এর পিছনের ইতিহাসই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

zeno's paradox

জেনোর প্যারাডক্স: সাধারণের বাইরে অসাধারণ চিন্তা

প্যারাডক্স মানে হচ্ছে কোন একটা বিষয় নিয়ে সাধারণের বাইরে অসাধারণ ভাবে চিন্তা করা। এটি একধরনের আত্মবিরোধ বা ধোঁয়াশা যা চিন্তাশীল ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো মাথায় সহজেই আসে না।

স্লিপ প্যারালাইসিস : ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা

স্লিপ প্যারালাইসিস: ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা

বােবায় ধরা হচ্ছে ঘুম এবং জাগরণের মধ্যবর্তী একটি অবস্থান। এটি ঘুমানাের মুহূর্তে অথবা ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগের মুহূর্তে ঘটতে পারে, সেটা আমাদের অবচেতন মন বুঝতে পারলেও সচেতন মন তা বুঝে উঠতে পারে না। আমাদের মন আমাদেরকে সেই মুহূর্তে যা অনুভব করায়, আমরা শুধু তাই অনুভব করতে পারি কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারি না।

ফিচার ইমেজ

ক্লাইন ফিল্টার সিনড্রম: হিজড়াদের জন্ম কথা

ক্লাইন ফিল্টার সিনড্রম ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত। অর্থাৎ কিছু মানুষের ছেচল্লিশটির জায়গায় সাতচল্লিশটি ক্রোমােজ়োম থাকে। মানে ছেলেদের একটা এক্স, মেয়েদের একটা ওয়াই ক্রোমােজোমের সাথে আবার আর একটা এক্স ক্রোমােজোম চলে আসে তাদের দেহে। ফলে তারা দুইটি এক্সের জন্য সে হয় মেয়ে, ওদিকে এক্স ওয়াইয়ের জন্য সে হয় ছেলে। এদের বাইরের গঠন হয় পুরুষদের মতো কিছুটা, কিন্তু মানসিক গঠন মহিলাদের মতন। এদের পুরুষ বা স্ত্রী কোনাে জননাঙ্গই সম্পূর্ণ তৈরি হয় না; তাছাড়া মেয়েসুলভ আচার আচরণ বেশি দেখা যায়, কারণ দেহে টেস্টোস্টেরন এর পরিমাণ কম থাকে।

কুকুরের ভেজা নাক

কুকুর, তার ভেজা নাক ও গন্ধশোঁকার খ্যাতি

মনুষ্য সমাজে কুকুরের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য কুকুর বিখ্যাত, তা হল কুকুরের বিশ্বস্ততা এবং গন্ধ শোঁকার ক্ষমতা।

মানুষ পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে চোখ, তাই মানুষ দেখার কাজে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে। কিন্তু কুকুরের ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র।

কুকুর সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে তার নাক, সে গন্ধ শোঁকার ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে বাইরের পরিবেশ থেকে তথ্য আহরণের জন্য। আর এ ক্ষমতার জন্য আর্মিদের কমান্ডো দলেও কুকুর দেখা যায়।

সাভান্ট সিনড্রোম ও কিছু মানুষের বদলে যাওয়া জীবনের গল্প (পর্ব ১)

প্রায় সোয়াশত বছর ধরে সাভান্ট সিনড্রোম আমাদের সামনে তার রহস্যের ডালি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান একজন পর্যন্ত এর কোনো কারণ বা সমাধান আবিষ্কার করতে পারেনি।

পিথাগোরাস বনাম আইন্সটাইন

পিথাগোরাস বনাম আইন্সটাইন: c² তুমি কার?

ভোর রাত হইতে মগজে লঙ্কাকান্ড ঘটাইয়া অর্ক চিন্তিত হইলো, এই ব্রহ্মাণ্ডে যদিও কেবল যদি একটাই মাত্র c² থাকিতো এবং তাহা লইয়া যদি ভায়োলিন বাদক আইন্সটাইন আর নাটের গুরু পিথাগোরাস ঝগড়া বাধাইয়া দিতো, তাহা হইলে কে বিজয়ী হইত?

c এর মান ২৯৯৭৯২৪৫৮ মিটার/সেকেন্ড হইয়া তাহা কি আইন্সটাইনের ঝুলিতে যাইতো! নাকি রাইট ট্রায়াঙ্গেলের হাইপোটেনিয়াস বইলা তাহা পিথাগোরাস লইতো!

কে বিজয়ী হইতো, হুঁ কে বিজয়ী হইতো?

পাই (π) : এক মহাকাব্যিক অমূলদ সংখ্যার কাহিনি

কোনও গণিতপ্রেমীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত সংখ্যা কোনটি? এক কথায় উত্তর আসবে যে, সেটা হল পাই, π। π = ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৭৯৩২৩৮৪৬২৬৪৩৩৮৩২৭৯৫০…  আপনি কি গণিতপ্রেমী? তাহলে ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। উপরের ওই ছাইপাশ সংখ্যাটা আপনার জন্যই লেখা। আসলেই কি এটা ছাইপাশ? কে এই পাই? কেনই বা সে এত বিখ্যাত? চলুন জেনে নেওয়া যাক। ধৈর্য ধরে পুরো …

পাই (π) : এক মহাকাব্যিক অমূলদ সংখ্যার কাহিনি Read More »

নিকোলা টেসলা

নিকোলা টেসলা: পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কিন্তু অবহেলিত এক প্রকৌশলী

আপনি যা কল্পনা করবেন তাকে কি বাস্তবে রূপ দিতে পারবেন? এমন কি সবক্ষেত্রে সম্ভব? সাধারণ মানুষের কাছে এটা সম্ভব না হলেও নিকোলা টেসলা সেটা করে দেখিয়েছিলেন। তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিতে পেরেছিলেন। এজন্যই তাকে ইতিহাসের সেরা প্রকৌশলী বলা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে সেরকম মনে রাখেনি বিশ্ববাসী। ছােট …

নিকোলা টেসলা: পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কিন্তু অবহেলিত এক প্রকৌশলী Read More »

marie curi

মেরি কুরি: তেজস্ক্রিয়তায় প্রাণ গেলো যাঁর

কাছে গেলেই রয়েছে প্রাণের ঝুঁকি। এমন পদার্থকে বছরের পর বছর পকেটে নিয়ে কি ঘুরতে পারবেন কি? একজন কিন্তু ঠিকই পেরেছেন। তেজস্ক্রিয় পদার্থ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন গোটা জীবন। জ্ঞানের উৎকর্ষসাধনে উৎসর্গ করেছেন নিজের প্রাণ। কথা বলছি মেরি কুরিকে নিয়ে।

শ্রোডিঙ্গার

শ্রোডিঙ্গার এবং তাঁর সমীকরণ ও বিড়ালের গল্প

শ্রোডিঙ্গার নামটি শুনলেই আমাদের মাথায় আসে তাঁর বিড়ালের পরীক্ষণের ঘটনাটি। কিন্তু তিনি নোবেল পুরস্কার পান আসলে শ্রোডিঙ্গার সমীকরণের জন্য, তথা কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় বিশেষ অবদানের জন্য। ১৯৩৩ সালে আরেক প্রখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পল ডিরাকের সাথে যৌথ ভাবে পদার্থবিদ্যা বিভাগে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

রকেট বৃত্তান্ত : ইতিহাসে রকেট (পর্ব-০১)

মহাকাশপ্রেমীদের কাছে রকেট এক অন্যরকম আবেগের নাম। কারণ এটিই তো আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যান যার মাধ্যমে নিল আর্মস্ট্রং পা রেখেছিলেন চাঁদে।
এই তো সেই রকেট যাকে নিয়ে মানুষের মঙ্গল জয়ের স্বপ্ন। কিন্তু আজকে আমরা যেই রকেট দেখে থাকি তা কিন্তু পূর্বে মোটেও এমন ছিল না। এর ইতিহাস জানতে আমাদের যেতে হবে বহু পূর্বের কাঠের তৈরি এক পাখির দিকে।

error: Content is protected !!