বেয়ার গ্রিলস: একজন দুঃসাহসিক অভিযাত্রিক, একজন বর্ন সারভাইভর

করবী কানন শিশির
4.4
(14)
Bookmark

No account yet? Register

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিষাক্ত দ্রব্যাদি ব্যতীত প্রকৃতির প্রায় সবকিছুই খাওয়া যায়। সাপ, বিচ্ছু, ব্যাঙ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পোকামাকড়, বাচ্চাসহ সিদ্ধ ডিম এমনকি পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে পায়ের মোজার মধ্যে হাতির মল নিয়ে বিশেষ কায়দায় তা থেকে মূত্র নিষ্কাশন করেও পান করা যায়! ভাবতেই গা গুলিয়ে উঠছে তো? এসব আমার কথা নয় ভাই! আমি চা, কফি, বিস্কুট খাওয়া মানুষ! ভীষণ বিপদ ছাড়া আমার দ্বারা ওসব খাওয়া সম্ভব না। কিন্তু হ্যাঁ, কঠিন পরিস্থিতিতে জীবন অনেক কিছুই শেখায়! শেখায় কীভাবে প্রতিকূল পরিবেশে বা দূর্গম অঞ্চলে টিকে থাকতে হয়, বেঁচে ফেরা যায় মৃত্যুর কবল থেকে। প্রকৃতির গভীর থেকে গভীরে মিশে গিয়ে তা দেখিয়েছেন যে অকুতোভয় দুঃসাহসিক অভিযাত্রিক তিনি আর কেউ নন, বেয়ার গ্রিলস! 

বেয়ার গ্রিলস
চিত্র: বেয়ার গ্রিলস | চিত্রসূত্র: Wikibio

একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে টানটান উত্তেজনায় টিভিতে চোখ রেখে আমরা তাঁকে দেখে যাই কি করে ধু ধু মরুভুমিতে ভয়ংকর র‍্যাটেল স্নেক বা ভাইপারের সাথে লড়াই করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন। কখনো মরুভূমির প্রচন্ড উত্তাপ থেকে পরিত্রাণে নিজের মূত্রসিক্ত টিশার্ট মাথায় আবৃত করে বেড়িয়েছেন, সীলের চামড়াকে পোশাকের মতো বানিয়ে পাড়ি দিয়েছেন হিমশীতল হ্রদ, বাঁশ দিয়ে সামান্য ভেলা বানিয়ে পাড়ি দিয়েছেন উত্তাল সমূদ্র! বরফের দেশের মৃত ইয়ক বা বন্য গরুর চোখ, ছাগলের অন্ডকোষ, উটের অন্ত্ররস, বিভিন্ন আকার আকৃতির শুয়োপোকা, দানবাকৃতির জ্যান্ত মাকড়সা, কি খাননি বেয়ার গ্রিলস!  ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে খেয়েছেন নিজের মূত্রও! মশার কামড় থেকে বাঁচতে সারা গায়ে কাদা মেখে ঘুরে বেড়িয়েছেন রেইনফরেস্ট! কখনো রাত কাটিয়েছেন দুই গাছের মাঝে দোলনা টাঙিয়ে, কখনো বরফের গুহায় আবার কখনো সিংহ ভাল্লুক থেকে বাঁচতে মশাল জ্বেলে রাত কাটিয়ে দিয়েছেন! নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহারা মরুভূমি, আমাজন আর গ্র‍্যান্ড ক্যানিয়নের মতো দুর্গম সব জায়গায় বেড়িয়ে তিনি শিখিয়ে চলেছেন টিকে থাকার কৌশল!  

 বেয়ার গ্রিলস
চিত্র: বেয়ার গ্রিলস | চিত্রসূত্র: Fearless Motivation

চলমান নিবন্ধে থাকছেন এডওয়ার্ড মাইকেল বেয়ার গ্রিলস, অ্যাডভেঞ্চার যার রক্তে মিশে আছে, যাকে বলা হয় বর্ন সারভাইভার। না, আজকে  আমরা সারভাইভিং শিখবো না, জানবো তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে । ব্যক্তিজীবনেও তিনি একজন সারভাইভার! যাকে বলা হয় রিয়েল সারভাইভার! সেনাবাহিনীতে কাজ করার সময় মাত্র ২১ বছর বয়সে ১৯৯৬ সালে জাম্বিয়ায় প্যারাসুট দুর্ঘটনায় ১৬ হাজার ফুট উপর থেকে পড়ে গিয়ে মেরুদণ্ডের তিনটি কশেরুকা ভেঙে গিয়েছিলো! ডাক্তাররা যাকে বলেছিল আর উঠেই দাঁড়াতে পারবেনা, সেই বিস্ময়মানব সব অসম্ভবকে তুড়ি মেরে মাত্র আঠারো মাসের মাথায় জয় করেন এভারেস্ট! যার উঠে দাঁড়ানোর কথাই কেউ ভাবতে পারেনি সেই বেয়ার সবাইকে তাক লাগিয়ে এত অল্প সময়ে সেরে উঠে করলেন বিশ্ব রেকর্ড! হ্যাঁ, মাত্র ২৩ বছর বয়সে ১৯৯৮ সালের ১৬ মে এভারেস্ট জয় করে তিনি গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছিলেন সর্বকনিষ্ঠ এভারেস্ট জয়ী হিসেবে। 

 এভারেস্টে বেয়ার গ্রিলস
চিত্র: এভারেস্টে বেয়ার গ্রিলস | চিত্রসূত্র: Bear Grylls

রেকর্ডের জন্মই হয় ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে, এই রেকর্ডও তাই এতদিনে ভাঙা হয়েছে কয়েকবার। এভারেস্ট জয়ের পরই তিনি মিডিয়ার নজরে আসেন এবং ধীরে ধীরে পুরো বিশ্বে তুমুল খ্যাতি অর্জন শুরু করেন।

 বাবার সাথে
চিত্র: বাবার সাথে বেয়ার গ্রিলস | চিত্রসূত্র: Wikibio

শৈশব

পরিবারে রাজনৈতিক আর ক্রিকেটীয় আবহাওয়া বিরাজ করলে হবে কী, তাঁকে এসবের কিছুই স্পর্শ করতে পারেনি। ওহ হ্যাঁ, তাঁর বাবা ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির একজন বড় নেতা, স্যার মাইকেল গ্রিলস। তাঁর নানা নেভিল ফোর্ড ছিলেন ইংল্যান্ডের একজন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলোয়াড় এবং নানী ছিলেন নর্দান আয়ারল্যান্ড থেকে নির্বাচিত প্রথম মহিলা এমপি। তাঁর একমাত্র বোন লারা একজন টেনিস কোচ। এতদসত্ত্বেও রাজনীতি বা ক্রিকেটের প্রেমে না পরে তিনি পরেছিলেন অ্যাডভেঞ্চারের প্রেমে! 

: বেয়ারের নানা নেভিল ফোর্ড
চিত্র: বেয়ারের নানা নেভিল ফোর্ড | চিত্রসূত্র: Wikibio

ছোটবেলায় বাবার কাছেই শিখেছিলেন নৌকা চালানো আর পর্বতারোহণ। কিশোর বয়সে শিখে ফেলেন স্কাইডাইভিং ও মার্শাল আর্ট! কারাতে ব্ল্যাকবেল্টও সেই বয়সেই ছিলো তাঁর দখলে! ইটন কলেজে পড়ায় সময়ই গড়ে তুলেছিলেন পর্বতারোহণ ক্লাব! হয়েছিলেন সবচেয়ে কমবয়সী স্কাউট লিডার। এরপর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। 

বাবার সাথে নৌকা চালাতে ব্যস্ত বেয়ার
চিত্র: বাবার সাথে নৌকা চালাতে ব্যস্ত বেয়ার | চিত্রসূত্র: Wikibio

রোমাঞ্চের খোঁজে বেয়ার গ্রিলস

স্কুলজীবন শেষ হওয়ার পর বেয়ার গ্রিলস ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার উৎসাহ প্রকাশ করেন। কেননা তিনি সিকিম ও হিমালয়ে হাইকিং এ উৎসাহী ছিলেন। কিন্তু ভারতীয় নাগরিক না হওয়ায় তাকে ফিরে যেতে হয় এবং পরে তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ইউনাইটেড কিংডম স্পেশাল ফোর্স রিজার্ভে এসওএস-এ ট্রুপার হিসেবে তিন বছর কাজ করেন। স্পেশাল এয়ারফোর্সে কাজ করার সময়ই তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্কাইডাইভারে পরিণত হন। এসময়ই তিনি প্যারাসুট দূর্ঘটনার শিকার হন। কিন্তু সবাইকে তাক লাগিয়ে এর মাত্র ১৮ মাসের ব্যবধানে এভারেস্ট জয় করে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেন।

উদযাপনরত অবস্থায়
চিত্র: উদযাপনরত অবস্থায় | চিত্রসূত্র: Bear Grylls

  

একজন অভিযাত্রিক হিসেবে কোন রেকর্ডটি নেই তার ঝুলিতে? রয়্যাল লাইফবোট ইনিস্টিটিউশনের তহবিল গঠনের জন্য জেট স্কি নিয়ে ঘুরেছেন পুরো ব্রিটিশ আইল্যান্ড। জেট স্কি নিয়ে আন্টার্কটিকাও পাড়ি দিয়েছেন! হিমালয়ের ওপর প্যারাগ্লাইডিং এর রেকর্ডও তিনি করেছেন! হিমালয়ে ১৪,৫০০ ফুট উচ্চতা থেকে যাত্রা শুরু করে পৌঁছেছিলেন ২০,০১৯ ফুট উচ্চতায়। সেসময় তাপমাত্রা ছিলো -৬০° সেলসিয়াস! দূর্ঘটনায় পা হারানো বন্ধুর জন্য অর্থ সংগ্রহে মাত্র একটি বাথটাবে করে নগ্ন হয়ে পাড়ি দিয়েছেন বরফ শীতল টেমস নদী। শুধু তাই নয় দ্য ডিউক অফ এডিনবরা অ্যাওয়ার্ড এর অর্থ সংগ্রহে অক্সিজেন মাস্ক নিয়ে শুধুমাত্র বেলুনে চড়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ উচ্চতায় ডিনারটাও করেছিলেন! ২০০৯ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী চিফ স্কাউট হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি। আজকে তাঁর রেকর্ড নিয়ে বিশদ আলোচনায় যাবো না। চলে যাবো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে।

 বোনের সাথে ছোট্ট বেয়ার  গ্রিলস
চিত্র: বোনের সাথে ছোট্ট বেয়ার | চিত্রসূত্র: Wikibio

মা সারা গ্রিলস ও বাবা স্যার মাইকেল গ্রিলস এর সংসারে ১৯৭৪ সালের ৭ জুন জন্মগ্রহণ করেন বেয়ার গ্রিলস। লন্ডনে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর শৈশব কাটে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ডোনাগাদিতে। বড় বোন লারাই তাঁর নাম রাখেন বেয়ার। তিনি ২০০০ সালে শারা ক্যানিংস নাইটকে বিয়ে করেন। এবং তাঁদের পরিবারে জেস, মার্মাডিউক, হ্যাকলবেরি নামে তিন ছেলে রয়েছে। 

স্ত্রীর সাথে বেয়ার গ্রিলস
চিত্র: স্ত্রীর সাথে বেয়ার গ্রিলস | চিত্রসূত্র: CloserOnline

বেয়ারকে টিভির পর্দায় অদ্ভুত সব রেসিপি খেতে দেখে অভ্যস্ত হলেও মোটেও ভাববেন না ওসব তাঁর প্রিয় খাবার! তাঁর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে ডিম, অ্যাভোকাডো, কলা, চকলেট, চিয়া সিড, প্রোটিন স্মুদি ও আমন্ড মিল্কের মতো চমৎকার সব খাবার। পর্বতারোহণ, কারাতে প্র‍্যাকটিস ও সাঁতার কাটা তাঁর অন্যতম শখের কাজ! অবসর সময়ে বেয়ার পিয়ানো বাজাতে এবং লেখালেখি করতে ভালোবাসেন।

স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ বেয়ারের পরিবার
চিত্র: স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ বেয়ারের পরিবার | চিত্রসূত্র:  Wikibio

লেখক বেয়ার গ্রিলস

লেখালেখির কথা আসতেই মনে পড়লো, তাঁর লেখার হাত চমৎকার! সময় পেলেই লেখালেখি করেন। প্রথম বই “The Kid Who Climbed Everest” প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে। এই বইয়ে  তিনি বর্ণনা করেছেন তাঁর এভারেস্ট অভিযান ও এর সাফল্যের কথা। দ্বিতীয় বই ছিল Facing the Frozen Ocean. তৃতীয় বই Born Survivor: Bear Grylls।   

অভিযাত্রিকদের জন্য একটি অনবদ্য গাইডও রচনা করেছেন তিনি। যার নাম “Bear Grylls Outdoor Adventures”। বেয়ার ২০১২ সালে “Mud, Sweat and Tears: The Autobiography” নামে আত্মজীবনী লিখেছেন। সেইসাথে ২০১২ সালের শেষের দিকে A Survival Guide for Life এবং ২০১৩ সালে True Grit লিখেছেন। তাঁর লেখা বই How To Stay Alive ২০১৭ সালে বেস্টসেলার বই হয়েছিলো। তিনি সিরিজ আকারে বেশ কিছু কিশোর কল্পকাহিনি লিখেছেন। Mission Survival  সিরিজের অন্তর্ভুক্ত বইগুলো হলো-

  • Mission Survival: Gold of the Gods
  • Mission Survival: Way of the Wolf
  • Mission Survival: Sands of the Scorpion
  • Mission Survival: Tracks of the Tiger
  • Mission Survival: Claws of the Crocodile

 বেয়ার গ্রিলসের লেখা বই
চিত্র: বেয়ার গ্রিলসের লেখা বই | চিত্রসূত্র: Bear Grylls  

  

টিভি উপস্থাপনায় অংশগ্রহণ

এভারেস্ট জয় করার পর তিনি মিডিয়ার নজরে আসেন এবং প্রথমে একটি ডিওডোরেন্ট এর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টেলিভিশনে যাত্রা শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন টিভি শোতে অতিথি হিসেবে যান এবং পরবর্তীতে উপস্থাপনায় অংশগ্রহণ করেন। এভারেস্ট জয় বা মেরু জয় তাঁকে যতটা না খ্যাতি এনে দিয়েছে, ডিসকভারি চ্যানেলের  “Man vs Wild” তাঁকে নিয়ে গিয়েছে খ্যাতির তুঙ্গে! এছাড়াও নিম্নোক্ত টিভি শো গুলোতে তিনি উপস্থাপনা করেছেন।

  • Escape from the legion
  • Get Out Alive
  • The Island
  • Worst Case Scenario
  • Escape from Hell
  • Running Wild with Bear Grylls
  • Bear Grylls Survival School
  • Mission Survive
  • Survivor Games
  • Bear’s Mission
  • World’s Toughest Race: Eco-Challenge Fiji

এছাড়াও তাঁর উপস্থাপনায় You vs Wild নামে একটি সিরিজ নেটফ্লিক্সে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

Running Wild with Bear Grylls এবং Into The Wild এ কেট উইন্সলেট, মাইকেল রদ্রিগেজ, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও রজনীকান্তের মতো বড় বড় তারকারা বেয়ারের সব দুঃসাহসিক অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গী হয়েছেন!       

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বেয়ার
চিত্র: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বেয়ার | চিত্রসুত্র: Wikibio
: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে বেয়ার
চিত্র: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে বেয়ার | চিত্রসূত্র:    Wikibio

জনহিতকর কাজে বেয়ার গ্রিলস

বেয়ার শুধু রোমাঞ্চকর অভিযানেই থেমে থাকেন নি, করে চলেছেন বিভিন্ন জনহিতকর কাজ। তাঁর গড়া অধিকাংশ রেকর্ড তিনি করেছেন বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার অর্থ সংগ্রহের জন্য। তিনি The Prince’s Trust এর একজন অ্যাম্বাসেডর। যে সংস্থাটি যুক্তরাজ্যের তরুণদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, আর্থিক ও ব্যবহারিক সহায়তা সরবরাহ করে থাকে। 

২০১৯ সালে ব্রিটেনের রানীর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত সম্মাননায় Officer of the Order of the British Empire (OBE) পদক পান। ব্রিটিশ তরুণদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, মিডিয়া এবং স্কাউটিংয়ের জন্য বেয়ারকে ওবিই (OBE) দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল। 

রীর সাথে ওবিই পদকসহ
চিত্র: স্ত্রীর সাথে ওবিই পদকসহ | চিত্রসূত্র: Bear Grylls

    

তিনি একজন বর্ন সারভাইভার। যার মাঝে আছে সত্যিকারের অভিযাত্রিকের তৃষ্ণা! তাঁর কৌতুহলের কোনো শেষ নেই, নেই নতুনের অভিযানে ক্লান্তি! নতুনের অভিযান যেন তাঁর নেশা! এই রোমাঞ্চের যেমন শেষ নেই, আজকের নিবন্ধেরও তেমনি কোনো তথাকথিত শেষ অংশ রাখছি না। তাঁর গল্পটা নাহয় এখনো লেখা চলুক!

প্রচ্ছদ চিত্রসূত্র: আইটিএল

তথ্যসূত্র: 

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on বেয়ার গ্রিলস: একজন দুঃসাহসিক অভিযাত্রিক, একজন বর্ন সারভাইভর

কমেন্ট করুন

অসামান্য

error: Content is protected !!