hacker

হ্যাকিং: অন্ধকার সাইবার জগতের মনস্তাত্ত্বিক খেলা

4.4
(11)
Bookmark

No account yet? Register

হ্যাকিং নামটি শুনলেই কেমন একটা জানার ইচ্ছা করে, মনের মধ্যে আগ্রহ জন্মায় তাই না? সাধারণ মানুষের থেকে একটু আলাদা কিছু জেনে নিজেকে সবার মাঝে বিশেষভাবে জাহির করতে কে না চায়! তবে, আপনি যদি ভেবে থাকেন দুই একটা ইউটিউব টিউটোরিয়াল বা কোনো রিকভার সিস্টেমের নিয়ম জেনে আপনি হ্যাকিং জেনে গেছেন এবং আপনি হ্যাকার হয়েও গেছেন, তবে এই ভুল চিন্তাটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আবার যদি ভেবে থাকেন, হ্যাকিং খুব খারাপ কাজ, তবে আপনার জানা দরকার যেসব কারণে ইথিক্যাল হ্যাকিং শেখা অত্যন্ত জরুরি। আশা করি, এটি জানার পর আপনি আর হ্যাকিংকে খারাপ চোখে দেখবেন না। হ্যাকিং বিষয়টা নিয়ে যেহেতু আমাদের সবার জানার ইচ্ছে, তাই চলুন আজকে এই হ্যাকিং বিষয়টা নিয়ে সামান্য আলোচনা করা যাক।

অসামান্যতে লিখুন

হ্যাকিং কী? 

সহজ ভাষায় যদি আমরা হ্যাকিংকে সংজ্ঞায়িত করতে চাই তাহলে বলতে হয়, হ্যাকিং হচ্ছে এমন এক ধরনের বেআইনি প্রচেষ্টা যার মাধ্যমে একজন ব্যাক্তি গোপনীয় তথ্যকে তার অনিচ্ছা এবং অজ্ঞতাসারে হাসিল করে। আপনি হয়তো ভাবছেন বিষয়টা কতটা মজার হতে পারে যদি আপনি সিস্টেমটা জানতেন, তবে হয়তো আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে অনেক মজা করতে পারতেন। আপনার হয়তো ধারণাই নেই যে এই বিষয়টা কতটা ভয়ানক হতে পারে। হ্যাকিং যতটা কঠিন বিষয় ঠিক ততটাই মারাত্মক হতে পারে একজন মানুষ, প্রতিষ্ঠান বা দেশের জন্য। আপনি হয়তো জানতেও পারবেন না যে একজন হ্যাকার আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের সকল তথ্য নিয়ে যাচ্ছে যেখানে থাকতে পারে আপনার ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইল। থাকতে পারে কোনো অন্তরঙ্গ ছবি বা আরো অনেক কিছু যা হয়তো আপনি অন্য যে কাউকে দেখাতে বা জানাতে ভয় পান।

হ্যাকার কাকে বলে ? 

হ্যাকার হলো এমন ব্যক্তি যে অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কগুলোর দুর্বলতা খুঁজে বের করে এবং তাদের কাজে লাগায়। হ্যাকাররা সাধারণত কম্পিউটার সুরক্ষার জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ কম্পিউটার প্রোগ্রামার। সাইবার জগতে বাংলাদেশি এক হ্যাকারের গল্প আপনাকে অবাক করে দেবে। যাইহোক, হ্যাক এবং হ্যাকার সম্পর্কে যতদূর সহজ ভাষায় হোক ধারণা দিতে পেরেছি। এর থেকে নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পারছেন সাধারণ মেধাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি এই হ্যাকিং জগতে বিরাজ করতে পারে না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, একজন হ্যাকার কী কী বিষয়ে পারদর্শী হয়ে থাকে।

চিত্র: হ্যাকিং জগতের Team Anonymous।
চিত্র: Team Anonymous। চিত্রসূত্র: Dreamstime

হ্যাকার কত প্রকার ও কী কী ? 

১) হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: হ্যাকিং যে কোনো খারাপ কিছু না তা প্রমাণ করেন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার। তাদের অন্য নাম এথিক্যাল হ্যাকার। যেমন:  একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে তা সম্পর্কে অবহিত করে। যার আপনার কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং সিস্টেম আক্রমণের ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে, একটি ওয়েব সাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি। একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার অনুমতি সাপেক্ষে সিস্টেম হ্যাক করে ত্রুটি খুঁজে বের করে থাকেন এবং এতে সে কোনো প্রকার ক্ষতি করে না। এই কাজটি আরেকটি নাম হলো পেনেট্রেশন টেস্টিং।

২) গ্রে হ্যাট হ্যাকার:  গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিজের মতো কাজ করে। গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা মূলত শখের বসেই হ্যাকিং এর কাজ করে থাকেন। এরা যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ফাঁক-ফোকরগুলো বের করে তখন সে তার মনমতো কাজ করবে। তার মন যা চায় সে তাই করবে। সে ইচ্ছে করলে সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটি সম্পর্কে জানাতে পারে অথবা ইনফরমেশনগুলো দেখতে পারে বা নষ্টও করতে পারে। আবার তা নিজের স্বার্থের জন্যও ব্যবহার করতে পারে। বেশির ভাগ হ্যাকাররাই এ ধরনের হয়ে থাকে। গ্রে হ্যাট হ্যাকিং এর ফলে হ্যাকাররা পাবলিকলি এই হ্যাক সম্পর্কে জানায় এবং সিস্টেম হ্যাক করার পর অবহিত করে আপনার কম্পিউটার সিস্টেম ঠিক করা উচিত। এতে ওই গ্রে হ্যাট হ্যাকার হয়তো কোন তথ্য চুরি করবে না। কিন্তু পাবলিকলি জানানোর ফলে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। হয়তো অন্য কোন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার এসে ত্রুটি সারানোর আগেই আবার হ্যাক করে তথ্য চুরি করে ফেলতে পারে।

৩) ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: সবচেয়ে ভয়ংকর হ্যাকার হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। এরা কোনো একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ফাঁক-ফোকরগুলো বের করলে দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। যেমন-সিস্টেম নষ্ট করে দেয়া, বিভিন্ন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়া। ভবিষ্যতে নিজে আবার যেন ঢুকতে পারে তারা সে পথ তৈরি করে রাখে। সর্বোপরি, সিস্টেমের অধীনে যেসকল সাব-সিস্টেম রয়েছে সেগুলোতেও ঢুকতে চেষ্টা করে। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা বিভিন্ন কম্পিউটার সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক হ্যাক করে নিজের ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত করে। যেমন: ক্রেডিট কার্ডের পাসওয়ার্ড চুরি, ব্যক্তিগত তথ্যচুরি করে অন্য কোনো গ্রুপের কাছে বিক্রি করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আক্রমণ চালিয়ে ওয়েবসাইট ডাউন করে দেয়া ইত্যাদি।

চিত্র: হ্যাকিং প্রোগ্রাম।
চিত্র:হ্যাকিং প্রোগ্রাম। চিত্রসূত্র: Merca 2

আরও পড়ুন: অ্যাভাটার ২: বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে চলেছে ২০২২ সালে

হ্যাকিং শেখার প্রাথমিক ধাপ

  • ১) Social Engineering
  • ২) Shell Function
  • ৩) DDOS
  • ৪) Phishing
  • ৫) Single & Mass Defacement
  • ৬) Virus
  • ৭) Server Rooting
  • ৮) XSS Basic
  • ৯) Web Development
  • ১০) Access Point
চিত্র: সার্ভার সিস্টেম হ্যাকিং ।
চিত্র:সার্ভার সিস্টেম হ্যাকিং। চিত্রসূত্র: Hot For Security

সার্ভার কী? কীভাবে তৈরি করে এবং ফাইল ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত কিছু তথ্য

PHP, ASPX এর বেসিক: অভিজ্ঞ হ্যাকার হতে গেলে আগে ভালো মানের ওয়েব ডেভেলপার হতে হবে আগে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন টুলস এডিট করা অথবা বানাতে এটি কাজে লাগে। স্ক্রিপটিংও জানতে হবে। DNS সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে।

সি প্যানেল: বতর্মান সময়ে লিনাক্স অধিক জনপ্রিয় হওয়ায় অধিকাংশ সাইট লিনাক্স সার্ভার ব্যবহার করে, তাই সিপ্যানেল এর ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

হ্যাকিং শেখার কয়েকটি ওয়েবসাইট

হ্যাকিং শেখার অসংখ্য ওয়েবসাইট আছে, তন্মধ্যে শুধু দুটির নাম দিচ্ছি। আগ্রহীরা উপকৃত হবেন আশা করা যায়।

চিত্র: হ্যাকিং কখনও ভয়ংকর অপরাধ।
চিত্র:হ্যাকিং কখনও ভয়ংকর অপরাধ। চিত্রসূত্র: Alpine Security

পৃথিবীর সেরা হ্যাকারদের সম্পর্কে কিছু তথ্য

১) কেভিন মিটনিক: কেভিন মিটনিক একজন আমেরিকান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করেন। অন্য সব হ্যাকারদের মত তারও একটা ছদ্মনাম রয়েছে। ছদ্মনাম হচ্ছে ”দ্য কনডোর”। উনি একজন সিক্যুরিটি কনসালটেন্ট লেখক। মাত্র ১২ বছর বয়সে হ্যাকিং জগতে প্রবেশ করে মিটনিক। তার হ্যাকিং জীবন শুরু হয় লস এঞ্জেলসের বাসে পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং এর মাধ্যমে। যাতে ফ্রি যাতায়াত করতে পারতেন। ১৯৭৯ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে ইন্টারনেটে আরপানেটে অ্যাকসেস পেয়ে যায় মিটনিক। আরপানেট ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের একটি নেটওয়ার্ক। এরপর মটোরোলা, নকিয়া মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার হ্যাক করেছিলেন। তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তিনি গ্লেন কেজ উপাধি পান।

২) গ্যারি ম্যাককিনন: গ্যারি ম্যাককিনন ছিলেন স্কটিশ সিস্টেম ডেভলপার। গ্যারি নিজের কাজ নিয়ে ডুবে থাকতেন। নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে রাখতেন বাহিরের দুনিয়া থেকে। ডাক্তারি ভাষায়, তিনি অ্যাসপারজার রোগে ভুগছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, নাসার মতো বড় বড় সরকারি দফতরে ৯৭ টি কম্পিউটার হ্যাক করেন। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষতি হয় ৭ লক্ষ ডলার। মার্কিন প্রতিরক্ষা অফিসের কম্পিউটারে একটি মেসেজ দেখায় (Your security system is crap, I am Solo. I will continue to disrupt at the highest levels) খোদ প্রতিরক্ষা দফতরে নিরাপত্তার অশনি সংকেত। তার সফটওয়ার সম্বন্ধে গভীরতা ও জ্ঞান দেখে অবাক হয়েছিলেন বড় বড় হ্যাকাররা। তিনি UFO নিয়েও গবেষণা করেছিলেন।

৩) মাইকেল কেল্স: মাইকেল কেল্স হলেন ইন্টারনেট দুনিয়ার মাফিয়া। তিনি তৈরি করেন Denial of Service যা বড় বড় কমার্শিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করার ক্ষমতা রাখে। কিউবেকের এই মাফিয়া ইয়াহু, আমাজন, ডেল, ইবে, সিএনএনের মতো বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির ঘুম হারাম করে দিয়েছিলেন। তিনি এক ঘন্টার জন্য সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ইয়াহুকে হ্যাক করেন। ২০০১ সালে মনট্রিয়েল ইয়থ কোর্ট ৮ মাসের জন্য মাইকেল কেল্স নজরদারিতে রাখার নির্দেশ দেন ও ইন্টারনেট ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

৪) অ্যালর্বাট গঞ্জালেজ: ২০০৫ থেকে ২০০৭ অ্যালর্বাট গঞ্জালেজ ও তার গ্রুপ মিলে প্রায় ১৭০ মিলিয়ন কার্ড নম্বর বিক্রি করে খবরের শিরোনামে আসেন। এই প্রথম এটিএম দুর্নীতি নিয়ে এতবড় হাঙ্গামা ঘটে। যাতে পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসলেও কীভাবে এটিএম নেটওয়ার্ককে বিকল করেছিল তার কিনারা করে উঠতে পারেনি। তিনি একরকম SQL ইনজেকশন পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন, ইন্টারনেট কর্পোরেট নেটওয়ার্কের সমস্ত কম্পিউটার ডেটা তার হাতের মুঠোয় ছিল। পুলিশ যখন তাকে গ্রেফতার করে, তার ঘর থেকে পাওয়া ১.৬ মিলিয়ন ডলার নগদ পাওয়া গিয়েছিল। তারমধ্যে একটি ড্রামে ১.১ মিলিয়ন ডলার অর্থ বাড়ির পিছনে মাটিতে পুঁতে রেখে ছিলেন। অ্যালর্বাট গঞ্জালেজ বিশ বছরের কারাদণ্ড করা হয়।

৫) অ্যান্ড্রিয়ান লামো: গুগল, ইয়াহু, মাইক্রোসফট, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো হাইপ্রোফাইল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ভাঙ্গার কারণে অ্যাড্রিয়ান লামো খবরের শিরোনামে আসেন ২০০৩ সালে। টাইমস অভিযোগ দায়ের করলে অ্যাড্রিয়ান লামোর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। ২০০৭ সালের ১২ই জুলাই বাগদাদে এয়ারস্ট্রাইকের ভিডিও ফাঁস হওয়ার পিছনে তিনি ছিলেন এই খবর মার্কিন সেনাবাহিনীর কাছে প্রকাশ পায়। এই নিয়ে তোলপাড় হয়ে যায় আমেরিকায়। ২০১০ সালে এ নিয়ে অ্যান্ড্রিয়ান লামো খবরের শিরোনামে আসে। তাকে ‘হোমলেস হ্যাকার’ উপাধি দেওয়া হয়। ২০০৪ সালে তিনি গ্রেফতার হন এবং তাকে ৬৫ হাজার ডলার জরিমানা গুনতে হয়। এখন তিনি একজন থ্রেট অ্যানালাইসিস্ট হিসাবে কাজ করেন।

অ্যানোনিমাস হ্যাকারের কল্পিত চিত্রায়ন । চিত্রসূত্র: Flickr

৬) অ্যানোনিমাস: বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী হ্যাকার গ্রুপ হচ্ছে অ্যানোনিমাস। তারা অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে। তারা কোনো অন্যায় দেখলে, তারা সাইবার যুদ্ধের জন্য ডাক দেয়। এরা একটি ছদ্মবেশী হ্যাকার গ্রুপ। ভক্তরা এদেরকে ‘ডিজিটাল রবিনহুড’ নামেও চেনেন। এই গ্রুপ তাদের নাম পরিচয় গোপন রেখে হ্যাকিং করে। এরা সবাই সংঘবদ্ধ ভাবে হ্যাকিং এ অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের লক্ষ্যকে তুলোধুনা করে। আবার তারা বিভিন্ন সরকারি, ধর্মীয় এবং কর্পোরেট ওয়েবসাইটগুলোতে হানা দেয়। তারা তাদের কার্যক্রম ডিপ ওয়েবে সম্পন্ন করে থাকে। তাদের কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে এফবিআই, সিআইএ, পেপাল, মাস্টারকার্ড, ভিসা ইত্যাদি। এছাড়া তারা বিভিন্ন দেশ যেমন ভ্যাটিকান, চীন, ইসরাইল, তিউনেশিয়াকে নিজেদের টার্গেট করে।

অনেকে মনে করেন হ্যাকিং কোন ভাবেই সম্ভব না যদি আপনি প্রোগ্রামিং না জানেন। আমি বলবো, সাদা টুপিতে বিশ্বাসী হয়ে হ্যাকিং টুলস দিয়ে চর্চা করতে থাকুন, শুরুতেই প্রোগ্রামিং শিখার জন্য সময় নষ্ট না করে। শুরু করাটাই চ্যালেঞ্জ, আপনি সফল হবেন যদি লক্ষ্য ঠিক থাকে।

তথ্যসূত্র:

  1. HackerOne
  2. Cybrary
  3. Malwarebytes
  4. Guru99

ফিচার চিত্রসূত্র: Pixabay

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on হ্যাকিং: অন্ধকার সাইবার জগতের মনস্তাত্ত্বিক খেলা

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!