huawei

হুয়াওয়ে মোবাইল: শুরুর শেষ নাকি শেষের শুরু?

মার্শাল আশিফ
3.9
(25)
Bookmark

No account yet? Register

আসুক বিপদ, আসুক বাঁধা
সামনে থাক গোলকধাঁধা
কাঁধে কাঁধ মেলাও
হাতে হাত মেলাও
এসো বন্ধু
আকাশ যতই ভয় দেখাক
তুমি থেমো না
সবাই আশা ছেড়ে দিলেও তুমি ছেড়ো না
এসো আমার সঙ্গে এসো আজ
সেজে এসো তোমার যুদ্ধসাজ

অনুপম রায়
হুয়াওয়ে মোবাইল এখন ঘোর অন্ধকারে
হুওয়ায়ে মোবাইল এখন ঘোর অন্ধকারে। ছবিসূত্র: pixabay

হুয়াওয়ের শনির দশা

অদৃষ্টের ফল কে খণ্ডাবে বলেন? ট্রাম্প প্রশাসন হুয়াওয়ের প্রতি প্রথমবারের মত ব্যান আরোপ করে। এই ব্যানের ফলে হুয়াওয়ের নতুন ফোনে গুগলের মোবাইল সার্ভিস আর ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স হওয়ায় হুয়াওয়ে তাদের ফোনে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করতে পারবে।

অসামান্যতে লিখুন

ডাকাবুকো হুয়াওয়ে পাল্টা জবাব হিসেবে নতুন অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দিয়ে প্রযুক্তি জগতে হইচই ফেলে দেয়। নতুন অপারেটিং সিস্টেমের নাম কী হবে তা নিয়ে অনেক উড়ো খবর শোনা গেলেও শেষতক নিশ্চিত হওয়া যায় নতুন অপারেটিং সিস্টেমের নাম হচ্ছে হারমোনি ওএস

তবে শুরুতে মোবাইলে হারমোনি ওএস না এনে তার অ্যান্ড্রয়েডের ওপেন সোর্স ভার্সন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি গুগল প্লে স্টোরের বিকল্প হিসেবে হুয়াওয়ে তাদের নিজস্ব অ্যাপগ্যালারি দিয়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করে। 

এভাবেই গুগলের মোবাইল সার্ভিস না থাকার ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে নিয়ে একাদশ বৃহস্পতি শুরু হয়  হুয়াওয়ের। কিন্তু হুয়াওয়ের প্রতি আবারও ব্যান আরোপ করে কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়  ট্রাম্প প্রশাসন। এইবারের ব্যানের ফলে কোয়ালকম (স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের সাথে যে কোম্পানির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে) হুয়াওয়েকে প্রসেসর সরবরাহ করতে পারবে নাস্যামসাং বা টিএসএমসি আমেরিকান কোম্পানি না হলেও প্রসেসর তৈরি করতে তারা আমেরিকান প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এইজন্য তারাও হুয়াওয়েকে প্রসেসর সরবরাহ করতে পারবে না। 

হুয়াওয়ে দিচ্ছে ইউএসএ চায়না বাণিজ্যযুদ্ধের খেসারত
ইউএসএ চায়না বাণিজ্যযুদ্ধের খেসারত দিতে হচ্ছে হুয়াওয়েকে। ছবিসূত্র: Techmeer

হুয়াওয়ের পোড়া কপাল। চীনে এমন কোনো প্রসেসর তৈরির কারখানা নেই যেখানে খুবই উন্নতমানের প্রসেসর তৈরি করা যাবে। তবে মোটামুটি মানের প্রসেসর তৈরি করার মত সামর্থ্য তাদের রয়েছে।

প্রসেসর যে-কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রাণ। ভাল প্রসেসর না থাকলে তাই হুয়াওয়ের ডিভাইসগুলো ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হবে। তাই, অনেকে ধরে নিয়েছিল থানোস বুঝি অ্যাভেঞ্জারকে শেষ করে ফেলল। কিন্তু তখনই হুয়াওয়ে তার ট্রাম্প কার্ড নিয়ে হাজির হয়। 

হুয়াওয়ে এবং এর ট্রাম্প কার্ড

যখন সময় থমকে দাঁড়ায়
নিরাশার পাখি দুহাত বাড়ায়
খুঁজে নিয়ে মন নির্জন কোণ
কী আর করে তখন
স্বপ্ন স্বপ্ন স্বপ্ন স্বপ্ন দেখে মন

নচিকেতা

হুয়াওয়ের জন্য অন্ধের যষ্টি হচ্ছে হারমোনি ওএস। হারমোনি ওএস আনার ঘোষণা তারা গতবছরই দিয়েছিল। কিন্তু এবছর তারা এই অপারেটিং সিস্টেম স্মার্টফোনের জন্যও আনার ঘোষণা দিয়েছে।

হুয়াওয়ে এবং তার নতুন অপারেটিং সিস্টেম
হুয়াওয়ের নতুন অপারেটিং সিস্টেম। ছবিসূত্র: cdn

আপনি হয়তো ভাবছেন, মাইক্রোসফটের মত রাঘব বোয়াল উইন্ডোজ ফোন এনে টিকতে পারল না আর হুয়াওয়ে এত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নতুন একটা অপারেটিং সিস্টেম এনে কোনো ফায়দা লুটতে পারবে কি! আপনার চিন্তা একেবারে অমূলক নয়।

তবুও হারমোনি ওএস আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ, এটা আর চার পাঁচটা অপারেটিং সিস্টেমের মত নয়। এটার বিশেষ কিছু ফিচার আছে। এখন আমরা মোবাইল আর কম্পিউটারে আলাদা আলাদা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি। হারমোনি ওএস দিয়ে মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্ট ওয়াচ, স্মার্ট টিভি, স্মার্ট কার সবই চলবে। এতে লাভ হল, একটি অপারেটিং সিস্টেমের জন্য অ্যাপ বানালে তা সবগুলো ডিভাইসেই ব্যবহার করা যাবে। এতে সফটওয়্যার ডেভেলপারদের খাটুনি অনেক কমে যাবে। এছাড়াও হারমোনি ওএস পরিচালিত সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকবে। সবগুলো ডিভাইস একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকার অনেক সুবিধা রয়েছে। 

এই করোনা অতিমারীর সময় আমাকে আপনাকে অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছে বা নিতে হচ্ছে। মনে করুন, আপনি একজন কেমিস্ট্রির শিক্ষক। আপনি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। আপনি আপনার ল্যাপটপে স্লাইড ওপেন করে স্ক্রিন শেয়ার দিয়ে রেখেছেন। ল্যাপটপে যে ক্যামেরা থাকে তার কোয়ালিটি ভাল না হওয়ায় আপনি ভিডিওর জন্য মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। আবার আপনার ছাত্র ছাত্রীদের দেখার জন্য টিভির মনিটর ব্যবহার করছেন। কেমিস্ট্রির কোন কনফিগারেশন এঁকে দেখানোর জন্য আপনি আপনার ট্যাব ব্যবহার করছেন। চিন্তা করে দেখুন এতগুলো ডিভাইস একসাথে কানেক্ট করা কত ঝামেলার কাজ। 

এই ঝামেলা দূর করার জন্যই আবির্ভাব ঘটেছে হারমোনি ওএসের। সব ডিভাইসে একই অপারেটিং সিস্টেমে একই অ্যাপ চলার কারণে ডিভাইসগুলো নিজেরাই নিজে থেকে কানেক্ট হতে পারবে। আপনাকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা লাগবে না।

হারমোনি ওএসে সব ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সবার সাথে কানেক্ট থাকবে
হারমোনি ওএসে সব ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সবার সাথে কানেক্ট থাকবে। ছবিসূত্র: pixabay

এছাড়াও হুয়াওয়ে দাবি করছে তাদের তৈরি হারমোনি ওএস অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় ফাস্ট হবে। সেই সাথে এতে আরও উন্নত মাল্টি টাস্কিং সুবিধা থাকবে।

তবে হারমোনি ওএস নির্ভর স্মার্টফোন পেতে হলে তীর্থের কাকের মত আমাদের প্রায় আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। হারমোনি ওএসের মত সপ্তকাণ্ড রামায়ণকে নিয়ে বিস্তারিত লেখা এই নিবন্ধে সম্ভব না। হারমোনি ওএস নিয়ে যদি বিস্তারিত লেখা চান তবে কমেন্ট করে জানাবেন। পাঠকের অনুরোধ অসামান্য ব্লগ কখনোই উপেক্ষা করে না।

আরও পড়ুন: পোপ নির্বাচন প্রক্রিয়ার সূচনা থেকে সমাপ্তি

হুয়াওয়ের খড়কুটো

আগে স্যামসাং এর কাছ থেকে হুয়াওয়ে ফোনের ডিসপ্লে কিনতো। কিন্তু এখন আমেরিকার নতুন ব্যানের কারণে স্যামসাং হুয়াওয়েকে ডিসপ্লে সরবরাহ করতে পারবে না। গুগলের মোবাইল সার্ভিসের ক্ষত তো তারা হারমোনি ওএস দিয়ে পূরণ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রসেসর, র‍্যাম, ডিসপ্লের মত যন্ত্রাংশের কী হবে? তাই, হুয়াওয়ে যে গভীর সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে এই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

পানিতে ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। হুয়াওয়ের জন্য খড়কুটো হচ্ছে ইউএসএর নির্বাচন। সেখানে যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প হেরে যান তবে দাবার ঘুঁটি উল্টে যেতেও পারে। নতুন প্রেসিডেন্ট এসে যদি ব্যান পুরোটা বা আংশিকভাবে উঠিয়ে নেয় তবে হুয়াওয়ে একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবে। ব্যান উঠে গেলে হুয়াওয়ে তাদের এলাহি কাণ্ডকারখানা কেঁচে গণ্ডূষ করে আবার অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে ফিরে যাবে সে আশায় গুড়ে বালি। তবে হুয়াওয়ে তখন হয়তো স্যামসাং বা টিএসএমসির কাছে প্রসেসর বানিয়ে নিতে পারে। টিএসএমসি হচ্ছে তাইওয়ানের একটি কোম্পানি যারা প্রসেসর বানানোর প্রযুক্তির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে। 

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অন্যদিকে চীন সরকার মেড ইন চায়না ২০২৫ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এই পরিকল্পনার একটা অংশ হল, চীনের ভিতরেই উন্নত মানের সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্রাংশ যেমন: র‍্যাম, রম, প্রসেসর তৈরি করা। তাই, হুয়াওয়ের প্রতি ইউএসএর ব্যান চীনের জন্য শাপে বর হয়েছে এমনটা বলাই যায়। 

যাইহোক, আমেরিকায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলেই বোঝা যাবে আমেরিকার সাথে হুয়াওয়ের সাপে নেউলে সম্পর্কটা কি তাসের ঘর নাকি তুষের আগুন। 

হুয়াওয়ে এবং তার পথের কাঁটা

বিশ্বাস গড়তে সময় লাগে কয়েক বছর
আর বিশ্বাস ভাঙতে সময় লাগে কয়েক সেকেন্ড

হুয়াওয়ে নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ডেটা চুরি করছে এমন অভিযোগ এনে ট্রাম্প প্রশাসন হুয়াওয়ের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করে। হুয়াওয়ে তা অস্বীকার করে। এই বিষয়টা মজা করে প্রসেনজিতের সেই বিখ্যাত ডায়ালগ অনুসারে বলা যায়, বিশ্বাস করো পৃথিবী, আমি চুরি করিনি।

বিশ্বাস হচ্ছে কাঁচের গ্লাসের মতো। তা একবার ভেঙে গেলে জোড়া দেওয়া শক্ত। আর এই “বিশ্বাস” বা “আস্থা” হচ্ছে হুয়াওয়ের সফল হওয়ার পথের কাঁটা। কারণ, একজন ক্রেতা অ্যাপল বা স্যামসাং এর প্রতি যেরকম আস্থা রাখে, হুয়াওয়ে চীনা কোম্পানি হওয়ায় প্রাইভেসির বিষয়ে হুয়াওয়ের প্রতি নিশ্চয় কম আস্থা রাখবে। 

তাই গুগল সার্ভিস না থাকা কিংবা উন্নত মানের প্রসেসর তৈরি করে দেওয়ার মত কোন চীনা কোম্পানি না থাকার চেয়েও হুয়াওয়ের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে মানুষের নিকট আস্থা তৈরি করা। নিজেদের ব্র্যান্ডকে ভরসাযোগ্য করে তুলতে হুয়াওয়েকে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। ক্রেতার ভরসা অর্জন করা তো আর চারটিখানি কথা নয়।

হুয়াওয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী

আমি যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করি, হুয়াওয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী কে? আপনি হয়তো উত্তর দিবেন স্যামসাং কিংবা অ্যাপল। আপনার উত্তর ভুল হয়েছে এমনটা আমি বলব না। তবে আমার মতে এই মুহূর্তে হুয়াওয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে সময়। লালনে আছে-

সময় গেলে সাধন হবে না

কেন এটা বললাম তার কারণও তো ব্যাখ্যা করা দরকার। আগেই বলেছি, হুয়াওয়ে উন্নতমানের প্রসেসর আর কিনতে পারবে না। তাই টাকার কুমির হুয়াওয়ে বুদ্ধি করে ব্যান কার্যকর হওয়ার আগেই ২৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করে লক্ষ লক্ষ প্রসেসর আর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কিনে গোডাউনে স্তূপ করে রেখেছে। এই দিয়ে হুয়াওয়ের ২ বছর মত চলে যাবে। কিন্তু এরপর কী হবে? তাদের নিজেদেরকে এর মধ্যেই উন্নতমানের প্রসেসর বানানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে যা বেশ কঠিন।

হুয়াওয়েকে এখন সময়ের সাথে পাল্লা দিতে হবে
হুয়াওয়েকে এখন সময়ের সাথে পাল্লা দিতে হবে। ছবিসূত্র: pixabay

একটা অপারেটিং সিস্টেম সফল হবে কি হবে না তা মূলত নির্ভর করে একজন ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় ও পছন্দের অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারছে কিনা তার উপর। হুয়াওয়ে সামনের বছরেই তাদের ফোন লঞ্চ করার টার্গেট ঠিক করেছে। তাই, অ্যাপ ডেভেলপাররা হাতে খুব কম সময় পাবে অ্যাপ বানানোর জন্য। একজন ক্রেতা যখন ফোন কেনার সময় দেখবে যে তার প্রয়োজনীয় সবগুলো অ্যাপ নতুন ফোনে ব্যবহার করা যায় না তখন সে ফোনটা কখনোই কিনবে না, অপারেটিং সিস্টেম যত ভাল হোক না কেন। এই দুই কারণে হুয়াওয়েকে এখন সময়ের সাথে পাল্লা দিতে হচ্ছে। 

হারমোনি ওএস আ্যন্ড্রয়েডের জন্য হুমকি এমন চটকদার শিরোনাম দেখে ভড়কে যাবেন না। বাস্তবতা হচ্ছে শুরুতেই চীনের বাইরে হুয়াওয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না। তবে চীনের মার্কেট একটা কোম্পানিকে টিকিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট। চীনের একার জনসংখ্যা ইউরোপ মহাদেশ পুরোটা এবং আমেরিকার মোট জনসংখ্যার চেয়ে বেশি। চীনে সফল হওয়ার পথ যে একেবারে নিষ্কণ্টক হবে তাও না। শাওমিসহ অন্যান্য চায়নিজ মোবাইল কোম্পানি বিনা যুদ্ধে নাহি দেবে সূচাগ্র মেদিনী। 

তো পাঠক, আপনার মতে পাঁচ বছর পর হুয়াওয়ে মোবাইল কোন পর্যায়ে থাকবে? হুয়াওয়ে কি নোকিয়ার মত ধুঁকতে ধুঁকতে টিকে থাকবে নাকি আরও শক্তিশালী হয়ে ট্রাম্পের আফসোসের কারণ হবে?

সবশেষে, পাঠকদের জন্য একটি কুইজ রেখে গেলাম। হুয়াওয়ে কেন তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেমের নাম হারমোনি রাখল? এই নিবন্ধটি মনোযোগ দিয়ে পড়লেই উত্তর পেয়ে যাওয়ার কথা।


তথ্যসূত্র:

ফিচার ইমেজ ছবিসূত্র: TechRadar

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
2 Thoughts on হুয়াওয়ে মোবাইল: শুরুর শেষ নাকি শেষের শুরু?
    করবী কানন শিশির
    26 Sep 2020
    8:23pm

    হারমোনি শব্দের একটি অর্থ সমন্বয় করা। যেহেতু হারমোনি ওএস অনেকগুলো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসকে একসাথে কানেক্টেড রাখতে পারছে, আমার মনে হয় একারণেই এর নামকরণ করা।

    7
    0
      মার্শাল আশিফ
      27 Sep 2020
      1:45pm

      করবী কানন, আপনি একদম সঠিক উত্তর দিয়েছেন। এই সুযোগে একটা তথ্য জানিয়ে রাখি, চীনে এই নতুন অপারেটিং সিস্টেমের নাম রাখা হয়েছে হংমেং ওএস। চীনা ভাষায় হংমেং মানেও সমন্বয় করা।

      3
      0

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!