স্লিপ প্যারালাইসিস : ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা

স্লিপ প্যারালাইসিস: ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা

হারুন অর রশিদ
4.1
(40)
Bookmark

No account yet? Register

আমাদের সুস্থ জীবনকে অতিবাহিত করার পথে অজানা রহস্য আমাদের পদে পদে আতঙ্কিত করে তােলে। ভয়, শঙ্কা, আশঙ্কা যেন আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। আপনি বিছানায় শুয়ে আছেন, হঠাৎ মধ্যরাতে আপনার ঘুম ভেঙে গেল। কেউ একজন অন্ধকার ঘরে আপনাকে ধরে রেখেছে। আপনি মাথাটা সামান্য ঘুরিয়ে দেখতে চাইছেন কিংবা পালানাের চেষ্টায় আছেন অথচ আপনার বুকের ওপর ভারী কিছু বসে আছে বলে অনুভব করলেন। এত ভারী কিছু যে ঠিকঠাক নিশ্বাসই নিতে পারছিলেন না। আপনি টের পেলেন কিন্তু চাইলেও শরীরের কোনাে অংশ নাড়াতে পারছেন না, এমনকি চিৎকারও করতে পারছেন না। আবার  চিৎকার করলেও তাতে কোনাে শব্দ হচ্ছে না। বুক চিড়ে হৃৎপিণ্ড বেরিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে  কিন্তু আপনি যেন সম্পূর্ণ অনুভূতিহীন। একেই বলে স্লিপ প্যারালাইসিস বা বােবায় ধরা।

অসামান্যতে লিখুন
বোবায় ধরা
 স্লিপ প্যারালাইসিস । চিত্রসূত্র: Pixabay

ভেবে দেখুন তো এরকম ঘটনা আপনার সাথে ঘটেছে কি না! ঘটে থাকলেও এর রহস্য উদঘাটন এর চেষ্টা করেছেন কি কখনো? জানার আগ্রহ থাকলে এই আর্টিকেল আপনার জন্য। সাথেই থাকুন।

রহস্য উদঘাটন

এরকম অনুভূতির সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। আমরা অনেকেই  কোনাে না কোনো সময়ে ঘুমের মধ্যে হয়ত এ ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি।

এর নাম ‘স্লিপ প্যারালাইসিস’, বাংলায় এটাকে ‘বােবায় ধরা’ বলা হয়। স্লিপ প্যারালাইসিস শব্দটি অপরিচিত মনে হতে পারে। কিন্তু বোবায় ধরা শব্দটি মােটেই আমাদের অপরিচিত না।

বােবায় ধরা হচ্ছে ঘুম এবং জাগরণের মধ্যবর্তী একটি অবস্থান। এটি ঘুমানাের মুহূর্তে অথবা ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগের মুহূর্তে ঘটতে পারে, সেটা আমাদের অবচেতন মন বুঝতে পারলেও সচেতন মন তা বুঝে উঠতে পারে না। আমাদের মন আমাদেরকে সেই মুহূর্তে যা অনুভব করায়, আমরা শুধু তাই অনুভব করতে পারি কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারি না।

এটা স্পষ্টত একটা বিচিত্র অবস্থা, যেখানে মানুষ চোখের সামনে কিছু দেখছে কিন্তু ঘুমের ঘোরে থাকার কারণে কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারছেনা। এটি সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

বোবায় ধরা
হ্যালুসিনেশনে আতঙ্কগ্রস্ত ব্যক্তি । চিত্রসূত্র: CBS News

বোবায় ধরলে কথা বলা বা নড়াচড়া না করা গেলেও আমাদের মস্তিষ্ক সজাগ থাকে, তাই এই সময় ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়া স্বাভাবিক। আমাদের ভয়কে আরাে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় মনের ভিতর চলতে থাকা হ্যালুসিনেশন। এর ফলে আমরা আচমকা ভয়ের কোন দৃশ্য দেখি কিংবা ঘরের ভিতরে কারো অনাকাঙ্ক্ষিত উপস্থিতি অনুভব করি। বিভিন্ন কারণে স্লিপ প্যারালাইসিস হতে পারে।

বিভিন্ন উপকথায় স্লিপ প্যারালাইসিস 

প্রায় সব উপকথাতেই ভূত একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাতের বেলায় অশরীরীরা নানা বেশে এসে মানুষকে ভয় দেখায়, এমনটিই প্রচলিত। এই ভয়ের অনুভূতির সঙ্গে বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিস জড়িয়ে গেছে আষ্টেপৃষ্ঠে। এই বোবায় ধরা নিয়ে নানা দেশে, নানা ভাষায় অনেক মত, অনেক ব্যাখ্যা, উপকথা, কু-কথা, সু-কথা প্রচলিত আছে। যেমনঃ

মিশরীয়রা মনে করেন এক প্রকার অতিপ্রাকৃত খারাপ জ্বীনের উপস্থিতির কারণে স্লিপ প্যারালাইসিস হয়। ইসলাম ধর্মবিশ্বাস অনুসারে, পৃথিবীতে সৃষ্টিকুলের মধ্যে যেমন দৃশ্যমান মানবজাতি এবং জীবজন্তু রয়েছে, তেমনি রয়েছে অদৃশ্যমান জ্বীনজাতি। জ্বীন সম্প্রদায়ের মধ্যেও মানুষের মতাে বােবা জাতির অস্তিত্ব আছে। এই বোবা জ্বীনেরা কখনও কখনও তাদের ইচ্ছেমত মানুষকে বিরক্ত করে।

তাদের ধারণা অনুযায়ী, বােবা জ্বীনদের এক বিশেষ ক্ষমতা থাকে, যাকে বলা হয় ব্লাড বেন্ডিং (Blood Bending)। এ ক্ষমতার দ্বারা তারা মানুষের রক্তের চলাচল পথকে এবং রক্তকণিকাকে স্বল্প সময়ের জন্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে। এ কারণেই দেহের বিভিন্ন স্থানে তারা রক্ততঞ্চন ঘটাতে পারে। ফলে সারা শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়া করা সম্ভব হয় না। অন্য সময় পারে না বলে ঘুমের সময়টাকেই বেছে নেয়।

বোবায় ধরা
 একটি রহস্যময় জাদুকর প্রাণী । চিত্রসূত্র: Pixabay

ইতালিয়ানদের মতে বোবায় ধরা তাদের ভাষায় প্রচলিত ‘পান্ডাফচ’ নামে এক ধরণের বিড়ালের মত দেখতে দানব আকৃতির প্রাণীর আক্রমণের কারণে হয়ে থাকে।

দক্ষিণ আফ্রিকানরা প্রচলিত ‘টোকোলোশে’ নামক এক ধরনের কালো  বামনজাতীয় জাদুকর প্রাণীর আক্রমণকে বোবায় ধরার জন্য দায়ী করে থাকেন। 

তুরস্কের লোকজন তাদের কল্পকথায় প্রচলিত ‘কারবাসান’ নামক একধরনের রহস্যময় আত্মার মতো দেখতে প্রাণীর আক্রমণকে দায়ী করেন।

কিন্তু ডেনমার্কের লোকজন সব কল্পকথা উপকথাকে ছাপিয়ে মূলত স্ট্রেসের মতো শারীরবৃত্তীয় ঝুঁকির কারণগুলিকে স্লিপ প্যারালাইসিস এর জন্য দায়ী করেন।

আক্রান্ত ব্যক্তির অভিজ্ঞতা 

মাঝে মাঝে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বিছানায় শয়ন করার দু-এক মিনিটের মধ্যেই (অর্থাৎ, তখনও সে সম্পূর্ণ সচেতন) তার উপর কোনাে কিছু এসে ভর করেছে বলে মনে করেন। তিনি যেহেতু তখন চেতন থাকেন বােবা ধরার সময়, চলে যাওয়ার মুহূর্তে কেউ কেউ উক্ত বােবা জ্বীনের উপস্থিতি বুঝতে পারেন। এমন হয়েছে যে, জ্বীনের আকৃতি-প্রকৃতি পরিষ্কার বােঝা যায়নি, শুধু কালাে বিকট এক আকৃতির অস্তিত্ব উপলব্ধি করা গেছে। আবার এমনও হয়েছে যে, জ্বীনটি তার আসল রূপ বা কোনাে কুৎসিত চেহারা নিয়ে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দেখা দিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আর যারা জ্বীনের উপস্থিতি বুঝতে পারেন না তাদের অভিব্যক্তি, “তারা চায় না, তাদের অদ্ভুত আকৃতি-প্রকৃতি বা চেহারা কোন মানব দেখুক। আবার ইচ্ছা করলে তারা অদৃশ্যভাবেও মানুষের উপর ভর করতে পারে।

ঘরে কারো উপস্থিতি অনুভব করা
। চিত্রসূত্র: Depositphotos

এছাড়াও কোনাে কোনাে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বীকারােক্তিতে জানা গেছে, বােবায় ধরার (জ্বীন আসার) আগে বা  জ্বীন চলে যাওয়ার পরে তারা যদি আধাে-ঘুমন্ত অবস্থায় থাকেন, তবে ঘরে শব্দ শুনতে পান। অর্থাৎ বােবা ধরার আগে, জানালা দিয়ে কোনাে কিছু অসার শব্দ আর চলে যাওয়ার পর একইভাবে জানালা দিয়ে কোনাে কিছু চলে যাওয়ার শব্দ শুনে থাকেন। তাদের এই অভিজ্ঞতা কোনাে অতিপ্রাকৃতিক কিছুর উপস্থিতিকে নির্দেশ করে।

কেউ কেউ বলে থাকেন বোবা জিন পছন্দমত ব্যাক্তিকে ধরে থাকে, যেহেতু তারা দুনিয়ার সকল মানুষকেই ধরে না। ফলে অনেক মানুষই বলে থাকে যে, “আমাকে তাে কখনই বােবায় ধরে না?” । তবে ঠিক কি কারণে তারা এমনটি করে, তা জানা সম্ভব হয় না। এমনও ঘটেছে যে, সারা জীবনে কোনাে কোনাে মানুষকে মাত্র একবার বােবায় ধরে, আবার কেউ কেউ বহুবার তাকে বােবায় ধরেছে বলেও স্বীকার করে। এর সঠিক কারণ জানা যায় না যে, কেন কারাে ক্ষেত্রে কম আর কারাে ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে ঘটে থাকে?

আরও পড়ুন: সাভান্ট সিনড্রোম ও কিছু মানুষের বদলে যাওয়া জীবনের গল্প (পর্ব ১)

স্লিপ প্যারালাইসিস এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

বিজ্ঞান কখনোই কুসংস্কারে বিশ্বাস করে না। তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা এই সকল উপকথাগুলোকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করেন। বােবায় ধরার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হলো-

  1.  চাপের মধ্যে থাকা  
  2.  যথেষ্ট বিশ্রামের অভাব 
  3.  অনিয়মিত ঘুম
  4.  দুশ্চিন্তা
  5.  ঘুমের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সমস্যা থাকা
  6.  হাত – পায়ের মাংসপেশিতে খিচ ধরা
  7.  মানসিক অস্থিরতা

এর বাইরে সাধারণভাবে যেসব কারণে বােবায় ধরা দেখা যায় , সেগুলাে হলাে- 

  1. কম ঘুমানাে
  2. ঘুমের সময় পরিবর্তন
  3. উপুড় হয়ে ঘুমানাে
  4. মাদকাসক্তি
  5. বাইপােলার ডিজঅর্ডার বা এ জাতীয় মানসিক সমস্যা থাকা
  6. Narcolepsy বা অতি ঘুমকাতরতা
  7. ঘুমের মধ্যে হাত-পা ছোঁড়া বা হাঁটাসহ অন্যান্য নিদ্রাজনিত রােগ থাকা
  8. সক্রিয়তাবর্ধক ওষুধ ব্যবহার 
চিত্র-৬:স্লিপ প্যারালাইসিস, চিত্রসূত্র:Pixabay
  আই মুভমেন্ট পিরিয়ড । চিত্রসূত্র: Pixabay

ঘুমের ঘােরে আমরা নানা রকম  স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন আসলে আমাদের অবচেতনে ঘটে চলা ঘটনাবলির পুনরাবৃত্তি।

ভালো জায়গায় ঘুরতে যাওয়া থেকে শুরু করে উঁচু কোথাও থেকে পড়ে যাওয়া;স্বপ্নের মধ্যে সবই থাকে। গভীর ঘুমের কিছু সময় পর থেকেই আমরা স্বপ্ন দেখা শুরু করি । স্বপ্ন দেখার সময়কে বলা হয় Rapid eye movement period। আর স্বপ্ন না দেখার সময়টাকে বলা হয় Non rapid eye movement period। 

ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষ সাধারণত ঘুমের এক ধাপ থেকে আরেক ধাপে যাওয়ার সময় শরীর সাবলীলভাবে নড়াচড়া করাতে পারে না, ঠিক তখনই মানুষ বােবা ধরা বা স্লিপিং প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়। এছাড়াও কিছু সময়ের জন্যে মানসিক ভারসাম্যহীনতা কিংবা স্নায়বিক সমস্যার কারণেও স্লিপ প্যারালাইসিস অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

অনেকের এমন হয়, বোবায় ধরার পূর্বে তারা অনেক দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকেন । তারপর দুঃস্বপ্নের এক পর্যায়ে তারা বুঝতে পারেন , তাদের পুরাে শরীরের উপর বা কোনাে বিশেষ অঙ্গের(যেমন: মাথা, বুক, হাত ইত্যাদি) উপর কেউ ভর করে আছে এবং কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে কারও (জ্বীনের) লােমশ হাতের কথাও অনেকে বলে থাকেন। এক এক জনের অভিজ্ঞতা এক এক রকম। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দাবি, ভিক্টিমের এসব অভিজ্ঞতা তাদের মনের ভিতরে চলতে থাকা হ্যালুসিনেশন এর কারণেই হয়ে থাকে।

পরিত্রাণের উপায়

বােবায় ধরা আসলে গুরুতর কোনাে রােগ বা এমন কিছুই নয়,এই সমস্যা সাময়িক। তাই এর জন্য কোনাে চিকিৎসারও প্রয়ােজন নেই। তবে এটি যদি বাড়াবাড়ি রকমের হয় অর্থাৎ আপনার ঘুমে নিয়মিতভাবে ব্যাঘাত ঘটায় বা উদ্বিগ্নতার দরুণ আপনার রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বা কমে যায়, তখন এই বােবায় ধরা থেকে বের হবার জন্য আপনাকে কিছুটা উদ্যোগী হতে হবে। যে কাজগুলাে আপনার করতে হবে, তা হলাে-

  1. বােবায় ধরা  থেকে বাঁচার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সহজ উপায়টি হলাে ঘুমের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা 
  2. নিয়মিত কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন 
  3. ঘুমানাের পদ্ধতি পাল্টান । বিশেষত উপুড় হয়ে   কখনােই ঘুমাবেন না 
  4. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট বড়ি সেবন করতে পারেন ঘুমের জন্য 
  5. অন্যান্য নিদ্রাজনিত বা মানসিক সমস্যা থেকে থাকলে সেগুলাের চিকিৎসা নিন 
 চিত্র-৭:স্লিপ প্যারালাইসিস, চিত্রসূত্র:Pixabay
 আক্রান্ত হওয়ার মুহূর্তে নিজেকে শান্ত রাখুন । চিত্রসূত্র: Pixabay

যার অতিরিক্ত স্লিপ প্যারালাইসিস হয় তার কোনোভাবেই পুরােপুরি উপুড় হয়ে লম্বালম্বিভাবে শয়ন করা উচিত না। ঘুমন্ত ব্যক্তি লম্বালম্বিভাবে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকলে তার অঙ্গ- প্রত্যঙ্গে রক্ত জমাট বেঁধে যায়, তাই ঐ অনুভূতি সৃষ্টি হয়।

কিন্তু যদি এটি ঘন ঘন হতে থাকে এবং কোনাে শারীরিক বা মানসিক সমস্যার জন্ম দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে । ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনাে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া ঠিক হবে না। 

তবে হ্যাঁ, বােবা ধরলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শ্বাস-প্রশ্বাস বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়ায় ব্যাঘাত ঘটলেও মারা যাওয়ার আশঙ্কা একদম নেই। তাই এ নিয়ে আলতু-ফালতু চিন্তা করার ও দরকার নেই। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস করুন।

তথ্যসূত্র:

ফিচার ইমেজ চিত্রসূত্র: Pixabay

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
7 Thoughts on স্লিপ প্যারালাইসিস: ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা
    Taslima akter
    11 Sep 2020
    9:05pm

    সুন্দর লিখেছেন ।
    আমার ও একবার বোবায় ধরার অভিজ্ঞতা হয়েছে।একটু বিরক্ত করব। সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

    •”তুরস্কের লোকজন তাদের কল্পকথায় প্রচলিত ‘কারবাসান’ নামক একধরনের রহস্যময় আত্মার মতো দেখতে প্রাণীর আক্রমনকে দায়ী করেন।” – এখানে ‘আক্রমণ’ হবে।
    •”স্বপ্ন আসলে আমাদের অবচেতনে ঘটে চলা ঘটনাবলির পুনুরাবৃত্তি” – এখানে ‘পুনরাবৃত্তি’
    •”আর যারা জ্বীনের উপস্থিতি বুঝতে পারেন না তাদের অভিব্যক্তি, “তারা চায় না, তাদের অদ্ভূত আকৃতি – প্রকৃতি বা চেহারা কোন মানব দেখুক” – এখানে ‘অদ্ভুত’
    •”এই ভয়ের অনুভূতির সঙ্গে বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিস জড়িয়ে গেছে আষ্টেপৃষ্ট” – এখানে ‘আষ্টেপৃষ্ঠে’
    •”আমরা অনেকেই কোনাে না কোন সময়ে ঘুমের মধ্যে হয়ত এ ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি।” – এখানে ‘কোনো না কোনো’ ।

    7
    0
      osamanno_ni28g8
      11 Sep 2020
      9:23pm

      পরামর্শ দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা রাখব এভাবেই অসামান্যের পাশে থাকবেন। ইনশাআল্লাহ্‌ আমরা পরবর্তীতে ভুলত্রুটির দিকে আরও বেশী মনোযোগী থাকবো।

      2
      0
      Harun-Or- Rashid
      11 Sep 2020
      10:18pm

      অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।ইনশাল্লাহ পরের আর্টিকেল বিষয় গুলো অতি সাবধানতার সাথে খেয়াল করবো।।।ভুল গুলো ধরিয়ে দেয়ার জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল।।

      3
      0
    miskatul
    12 Sep 2020
    7:55am

    অনেক সুন্দর ভাইয়া…

    2
    0
    mainul3715@gmail.com
    30 Sep 2020
    10:34pm

    অ‌নেক সুন্দর হ‌য়ে‌ছে। উপরোক্ত বিষয়‌টি অামার জীব‌নে না ঘট‌লেও, অা‌মি জান‌তে পে‌য়ে খুবই অান‌ন্দিত। অসংখ‌্য ধন‌্যবাদ।❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    1
    0
    Sahayli
    12 Oct 2020
    10:03am

    অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার বাবা এটা তে নিয়মিত আক্রান্ত হন। ছোটবেলা থেকেই দেখি ঘুমের মধ্যে চিৎকার করেন। কেও এসে ধাক্কা দিলে ভালো হয়ে যান। উনার বয়স এখন ৭০। এখনো এটা হয়। কিন্তু কম হয়। আমিও মাঝে মাঝে আক্রান্ত হই । কিন্তু আমি প্রচন্ড খিঁচুনি তে আক্রান্ত হই। আমারটা দুর্বলতা থেকে এবং ঠান্ডা থেকে হয় এটা বুঝি। পরবর্তীতে পায়ে ব্যথা থাকে। আমার ঘুম কম হয়। কিন্তু আমার বাবার বেপার টা বুঝি না। উনাকে নাড়া দিলে উনি ভালো হয়ে যান। তবে উনি প্রচুর দুশ্চিন্তা করতেন।

    1
    1
      হারুন অর রশিদ
      12 Oct 2020
      10:22am

      আতংকিত হওয়ার কোন কারন নেই।এটা অল্প কিছুক্ষন স্থায়ী হয়।তারপরেও দুঃচিন্তা যেন কম করেন এই বিষয়ে উনাকে একটু সচেতন করবেন।পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমানো প্রয়োজন এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য।অনেক সময়ই অনিদ্রা জনিত সমস্যা থেকেই এই রকম উনিভুতি আসে।ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।

      0
      0

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!