রাইডার্স ফ্রম দ্য নর্থ : অনুসন্ধিৎসুর চোখে বাবর

মো. রেদোয়ান হোসেন
4.8
(28)
Bookmark

No account yet? Register

  • গ্রন্থের নাম: অ্যাম্পেয়ার অব দ্য মোঘল রাইডার্স ফ্রম দ্য নর্থ
  • ভাষা: ইংরেজি
  • লেখক: অ্যালেক্স রাদারফোর্ড
  • মূল আলোকপাতকৃত চরিত্র: মুঘল সম্রাট বাবর
  • অনুবাদের ভাষা: বাংলা
  • অনুবাদক: সাদেকুল আহসান কল্লোল
বাবর নামের এক অসীমসাহসী যোদ্ধার গল্প এটি।
চিত্র : বইয়ের ফ্ল্যাপ, চিত্রসূত্র – মূলগ্রন্থ 

প্রেক্ষাপট 

ভারতবর্ষের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজবংশ হলো মুঘল রাজবংশ। এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম মুঘল সম্রাট মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর। মধ্য এশিয়ার এক দুর্গম সামন্তরাজ্য থেকে নিজেকে ভারতবর্ষের ১০ কোটি মানুষের শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠার যেই যাত্রা, তা বর্ণিত হয়েছে তাঁর নিজের লেখা ‘বাবরনামা’ নামের জীবনীগ্রন্থে। নিজের জীবনীগ্রন্থের উদ্দেশ্য বাবর ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে- 

অসামান্যতে লিখুন

কোনো অভিযোগ জানাতে আমি লেখনীর আশ্রয় নেইনি; আমার উদ্দেশ্য ছিলো সত্য বয়ান। নিজের প্রশংসা করাও আমার বয়ান ছিলো না, কেবল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ছিলো আমার অভীষ্ট। এই ইতিহাসে আমি সত্যের ইতিহাসে আশ্রয়ে সবকিছু লিপিবদ্ধ করতে চেয়েছি। তার ফলশ্রুতিতে আব্বাজান, আত্মীয় বা আগন্তকের ভিতরে যা কিছু ভালো বা মন্দ দেখেছি, তার সবই আমি লিপিবদ্ধ করার প্রয়াস নিয়েছি। পাঠক আমার সীমাবদ্ধতা ক্ষমা করবেন … … …

বাবরনামা, মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা

বাবরের জীবনের প্রতি পদে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রায় সমস্ত বিষয়াদি বাবরনামায় উল্লেখিত আছে। এই বাবরনামাকে মূল উপজীব্য ধরে এবং অন্যান্য বিভিন্ন ঐতিহাসিক তথ্যাদির আশ্রয় নিয়ে লেখক অ্যালেক্স রাদারফোর্ড এই উপন্যাস রচনা করেছেন। 

হিন্দুস্তান ছিল বাবর এর আজীবনের স্বপ্ন।
চিত্র : বইয়ের ব্যাক কভার, চিত্রসূত্র – মূলগ্রন্থ

 

লেখনীর প্রকৃতি 

বৃহৎ পরিসরে এই রচনাকে উপন্যাস হিসেবে অভিহিত করা যায়। সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করলে এটি আসলে এক ধরনের ডকু-ফিকশন। এই ধরনের রচনায় লেখক ইতিহাসকে আশ্রয় করে লিখলেও কাহিনির প্রয়োজনে তিনি মূল কাহিনির সমান্তরালে বেশ কিছু কাল্পনিক ঘটনার আশ্রয় নেন। এই ক্ষেত্রে লেখকের সফলতা তখনই, যখন তাঁর এই কাল্পনিক ঘটনা মূল ঘটনার সাথে সমন্বিত হয়ে যায়। আলোচ্য রচনাও এমন একটি ডকু-ফিকশন যেখানে কাল্পনিক চরিত্রসমূহের চরিত্রায়ণে লেখক এতটাই সফল যে, কাল্পনিক চরিত্রসমূহকে আলাদা করে চিহ্নিত করা আসলেই অসম্ভব। বিশেষ করে, ‘বাবুরি’ চরিত্রটি এতটাই চমৎকারভাবে মূল গল্পে গেঁথে গেছে যে, এটি যে কাল্পনিক তা অনেকেই বিশ্বাস করবেননা। 

লেখকের পরিচিতি 

অ্যালেক্স রাদারফোর্ড আসলে কোনো একজন মানুষের নাম না। ডায়ানা প্রিস্টোন এবং তাঁর স্বামী মাইকেল প্রিস্টোন একত্রে এই ছদ্মনামে লিখেন। তাঁরা উভয়েই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা সমাপ্ত করেছেন। ডায়ানা প্রিস্টোনের মেজর ছিল ইতিহাস এবং মাইকেল প্রিস্টোনের মেজর ছিল ইংরেজি ভাষা।

এই দম্পতি প্রচণ্ড ভ্রমণপিপাসু। বিশ্বের নানা প্রান্তে তাঁরা ঘুরে বেড়িয়েছেন। তবে তাঁরা সবচেয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন তাজমহল পরিদর্শন করে। তাজমহলের প্রেমে পড়ে যান তাঁরা। ইতিহাসের পাতায় পাতায় তাঁরা খুঁজতে শুরু করেন তাজমহলকে। খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে সেই মহান রাজবংশ, মুঘল সাম্রাজ্যের কথা। দুজনে মিলে শুরু করেন গবেষণা। তারই ফসল হলো মুঘল রাজবংশ বিষয়ে তাঁদের দুইজনের সম্মিলিত লেখা ‘অ্যাম্পেয়ার অব দ্য মোঘল’ সিরিজের ছয়টি বই। 

কেন তাঁরা ‘অ্যালেক্স রাদারফোর্ড’ নামকেই বাছাই করলেন? এই প্রশ্নের জবাবে তাঁদের উত্তর ছিল, 

“রাদারফোর্ড নাম দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল নোবেলপ্রাপ্ত বিশিষ্ট বিজ্ঞানী রাদারফোর্ডকে শ্রদ্ধা জানানো। আর অ্যালেক্স নামের উদ্দেশ্য ছিল এমন কোনো নাম খুঁজে বের করা যা পুরুষ বা মহিলা যে কারোরই নাম হতে পারে।”

লেখকদ্বয় মুঘল রাজবংশ সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা করেছেন।
চিত্র : ডায়ানা প্রিস্টোন এবং তাঁর স্বামী মাইকেল প্রিস্টোন, চিত্রসূত্র – srutis.blogpost 

স্থান এবং কাল  

সূচনা ১৪৯৪ সালে মধ্য এশিয়ার ফারগানা উপত্যকায়। ঘটনার ধারাবাহিকতায় কিছুদিন পরে উপন্যাসের মূল কেন্দ্র স্থানান্তরিত হয় মধ্য এশিয়ার তৎকালীন সর্বাধিক সমৃদ্ধ রাজ্য এবং ফারগানার পার্শ্ববর্তী সমরখন্দে। 

বাবর আজীবন সমরখন্দে রাজত্ব করার স্বপ্ন দেখেছেন।
চিত্র : মানচিত্রে সমরখন্দ এবং ফারগানা, চিত্রসূত্র – মূল গ্রন্থ

ভাগ্য বিড়ম্বনার কারণে কখনো কখনো বাবর ছিলেন রাজ্যহীন। ঘুরে বেড়িয়েছেন মরুভূমির বিস্তীর্ণ প্রান্ত ধরে। এমনকি তিনি নিজেই সমরখন্দ দুইবার নিজের হাত থেকে হারিয়েছেন। তরুণ বয়সে এসে থিতু হন কাবুলে। দীর্ঘদিন এই এক স্থানেই স্থির থাকেন। তারপরে শুরু হয় বাবরের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের গল্প, হিন্দুস্তান বিজয়ের গল্প। ভাগ্যও তাঁকে সাহায্য করেছে প্রতি পদে। সবশেষে ১৫২৬ সালে তিনি বিজয়ের পদচিহ্ন রাখেন হিন্দুস্তানে। এখানেই ১৫৩০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং এখানে এই রচনারও সমাপ্তি ঘটে। 

মধ্য এশিয়া এবং ভারতের মানচিত্র
চিত্র : মধ্য এশিয়া এবং ভারতের মানচিত্র, চিত্রসূত্র – মূল গ্রন্থ

আরো পড়ুন: নানচিং গণহত্যা: মানবতার চরম ভুলুণ্ঠন, পর্ব ১ – উপক্রমণিকা

চরিত্র বিশ্লেষণ 

বাবর

আবশ্যিকভাবে এই রচনার মূলনায়ক হলেন বাবর। জীবন তাঁকে প্রতি পদে পদে পরীক্ষা যেমন নিয়েছে, ঠিক তেমনভাবে ভাগ্য সময়ে সময়ে তাঁকে পুরস্কৃতও করেছে। তিনি ছিলেন এক সাহসী যোদ্ধা। সাথে সাথে একজন সমর্থ ব্যবস্থাপক যিনি তাঁর অধীনস্ত প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্বকে প্রভাবিত করতে পারেন। এই গুণই তাঁকে সাহায্য করেছিল সমরখন্দ বিজয়ে। প্রত্যেক যোদ্ধার মনে বিজয়ের হাহাকার জাগিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর বক্তব্যই ছিল যথেষ্ট। 

শিল্পীর তুলিতে বাবর
চিত্র : শিল্পীর তুলিতে বাবর; চিত্রসূত্র – Wikimedia Commons

শাসক হিসেবে সফল হলেও নিজেকে সফল পিতা হিসেবে দাবি করতে পারেন না বাবর। কারণ, তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর চার পুত্র নিজেদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। একে তাঁর ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। 

বাইসানগার

বাবরের পরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলেন বাইসানগার, যিনি আজীবন ছিলেন বাবরের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। বাবরের সামরিক অভিযানের পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন বাবরের শ্বশুর। কিশোর বয়স থেকে তিনি বাবরের অধিকাংশ অভিযানের সঙ্গী।

বাবুরি

আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল বাবুরি। তাঁর নামের সাথে বাবরের আশ্চর্য রকমের মিল লক্ষ করা গেলেও তাঁর সামাজিক অবস্থান বাবরের ঠিক উল্টো। বাবর যেখানে রাজপরিবারের সন্তান, সেখানে বাবুরি রাস্তায় মানুষের লাথি-গুঁতো খেয়ে বড় হওয়া একজন। বাবরকে সর্বদা তিনি পরামর্শ দিতেন নিজের আত্মমর্যাদা বজায় রেখে চলার জন্য। তাছাড়া, বাবরের জীবনের যে সর্বাধিক বৃহৎ অর্জন, হিন্দুস্তান, তার পিছনেও বাবুরির অবদান ছিল অনেক। 

খানজাদা

খানজাদা, বাবরের বড় বোন, এই রচনার আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং আকাশচুম্বী সাহস তাঁকে এই রচনার কেন্দ্রে রেখেছে। প্রায় সারাজীবন ধরেই তিনি বাবরের মাথার উপরে ছায়া হয়ে ছিলেন। বাবরের জীবনের প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্তে তিনি শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে ছিলেন। 

এসান দৌলত

বাবরের নানিজান এসান দৌলত এই রচনার প্রথমার্ধের অনেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। ঠিক বাবরের বোনের মতই তার জীবিত থাকাকালীন তিনি বাবরকে সদুপদেশ দিয়ে গেছেন। অনেকের মতে, বাবরের বোন এবং নানি আসলে একইরকম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। বাবরের নানির মৃত্যুর পরে তাঁর বোনই তাঁর নানির মত তাঁকে সাহস ও শক্তি যুগিয়েছেন। 

হুমায়ুন

জ্যেষ্ঠ পুত্র হুমায়ুনের কথা না বললে কম হয়ে যাবে। নিজের পিতার মত কোনো কাজে লেগে থাকার স্বভাব না পেলেও, জ্যেষ্ঠ বিধায় তিনি পিতার যথেষ্ট আদরের পাত্র ছিলেন। হিন্দুস্তানের যুদ্ধে তিনি পিতার সাথে সার্বক্ষণিক ছায়ার মত ছিলেন। পুত্র হুমায়ুনের জন্য নিজের জীবনের আত্মত্যাগ করার গল্পও সর্বজনবিদিত। 

সাইবানি খান

কেবল যে নায়ক এবং তাঁর সহযোগীরা থাকবে, জীবন তো আর এমন না! এখানেও আছে খলনায়ক। উজবেক যোদ্ধা সাইবানি খান। যিনি শপথ নিয়েছেন চেঙ্গিস খানের বংশধরদের রক্তে নিজের হাত রঞ্জিত করবেন। বারংবার বাবরকে অপমান করে গেছেন, অপমান করেছেন তাঁর পরিবারকে। বাবরকে বহুবার সম্মুখযুদ্ধে এবং কূটনীতিক যুদ্ধে পরাস্ত করেছেন। 

শাহ ইসমাইল

পারস্যের সাফাভি বংশের সম্রাট প্রথম শাহ ইসমাইল এই রচনায় একজন খলনায়ক। সমরখন্দ বিজয়ে তিনি বাবরকে সহায়তা করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি সুন্নি মতাবলম্বী বাবরকে শিয়া মতাদর্শ গ্রহণের জন্য জবরদস্তি করেন এবং বাবর যাতে নিজেকে শাহ ইসমাইলের অনুগত সামন্ত রাজা হিসেবে মেনে নেয়, তারও নির্দেশ দেয়। বাবর এই নির্দেশ মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে শাহ ইসমাইলের সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয় এবং বাবর সমরখন্দের উপর থেকে তাঁর অধিকার ত্যাগ করতে বাধ্য হন। 

তৈমুর

তবে উপস্থিত না থেকেও যিনি এই রচনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে আছেন, তিনি হলেন তৈমুর। তাঁর রাজধানী সমরখন্দ ছিল মধ্য এশিয়ায় মির্জা বংশীয় যেকোনো রাজপুত্রের কাছে স্বপ্ন। সকলেই কোনো না কোনো দিন একবারের জন্য হলেও তৈমুরের রাজধানী সমরখন্দের সিংহাসনে বসার স্বপ্ন দেখেছে। বাবরও তার ব্যতিক্রম নয়। তৈমুরের পূর্বপুরুষ হিসেবে তিনি পৃথিবীতে কী রেখে যেতে পারবেন, এই প্রশ্ন সর্বদা তাঁকে উদ্বেলিত করে রেখেছিল। তাই মৃত্যুর প্রায় ১০০ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও নিজের এই উত্তরপুরুষের মনে তৈমুর চিরঞ্জীব ছিলেন।

তৈমুর
চিত্র: তৈমুর; চিত্রসূত্র – Wikimedia Commons  
সমরখন্দ শহরে তৈমুরের সমাধি
চিত্র : সমরখন্দ শহরে তৈমুরের সমাধি; চিত্রসূত্র – Wikimedia Commons 

ঘটনাপ্রবাহ  

১২ বছর বয়সের বাবরের পিতার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে উপন্যাসের সূচনা। বেশ কয়েকবার পার্শ্ববর্তী সমৃদ্ধ রাজ্য সমরখন্দ জয় করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসেন বাবর। সফল হলেও উজবেক সাইবানি খান এবং পারস্য সম্রাট শাহ ইসমাইলের জন্য দুইবার তিনি রাজ্যছাড়া হন। ভাগ্যগুণে তিনি কাবুলের রাজাধিকার লাভ করেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকে শুনে আসা হিন্দুস্তানের স্বপ্ন কোনোকালেই তাঁর মন থেকে বিস্মৃত হয়নি। বেশ কয়েকবার ইচ্ছা পোষণ করলেও লোকবলের ব্যবস্থা না করতে পারায় তাঁর পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। অবশেষে ১৫২৬ সালের ২১ এপ্রিল আসে সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত দিন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধে দিল্লি সালতানাতের ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তানে নিজের বিজয়ের পদচিহ্ন অঙ্কন করেন। আর এভাবেই মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা ঘটে। 

প্রথম পানিপথের যুদ্ধ
চিত্র : প্রথম পানিপথের যুদ্ধ; চিত্রসূত্র – Wikimedia Commons

১২ বছর বয়সের এক পিতৃহারা বালক থেকে পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী একটি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার গল্প এটি। বারংবার পিছনে পড়ে গিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প এটি। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করে নিজের পূর্বপুরুষের কীর্তি ও মহিমাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার গল্প এটি।

জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, বিশ্বাস, ভরসা, আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের এই যাত্রায় পাঠককে জানাই স্বাগত।

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on রাইডার্স ফ্রম দ্য নর্থ : অনুসন্ধিৎসুর চোখে বাবর

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!