বাঙলা সাহিত্যের জন্মকথা: লাল নীল দীপাবলি

5
(2)
Bookmark

No account yet? Register

হাজার বছর আগে আমাদের প্রথম প্রধান কবি, কাহ্নপাদ বলেছিলেন: নগর বাহিরেঁ ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ। তাঁর মতো কবিতা লিখেছেন আরো অনেক কবি। তাঁদের নামগুলো আজ রহস্যের মতো লাগে, লুইপা, কুক্কুরীপা, বিরুআপা, ভুসুকুপা, শবরপার মতো সুদূর রহস্যময় ওই কবিদের নাম। তারপর কেটে গেছে হাজার বছর, দেখা দিয়েছেন অজস্র কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার। তাঁরা সবাই মিলে সৃষ্টি করেছেন আমাদের অসাধারণ বাঙলা সাহিত্য।

পটভূমি 

প্রতিটি জাতি, দেশ, ভাষা, শিল্প সংস্কৃতি এবং সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস থাকে। যা থেকেই সুস্পষ্ট ধারণা নেয়া যায় ঐ বিষয়টি সম্পর্কে। আমাদের বাঙলা সাহিত্যেরও রয়েছে এক গৌরবমাখা সমৃদ্ধ ইতিহাস। যার মাধ্যমে আমার আমাদের সাহিত্যের সৃষ্টিলগ্ন থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত সুস্পষ্ট ধারণা পেতে পারি। 

বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে অনেক ঐতিহাসিক অনেক সুন্দর সুন্দর গ্রন্থ রচনা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের অন্যতম বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদ রচিত লাল নীল দীপাবলি বইটি সাহিত্যের ইতিহাস হলেও এটি নিজেই একটি অসাধারণ সাহিত্যকর্ম। 

লেখক মূলত এই গ্রন্থটি শিশু-কিশোরদের জন্য রচনা করেছেন। লেখক উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, অনেকে অনেকভাবে আমাদের সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেছেন, কিন্তু শিশু-কিশোরদের জন্য কেউ আলাদা করে রচনা করেননি। তাই শিশু-কিশোররা যাতে আনন্দ নিয়ে আমাদের সাহিত্যের ইতিহাস পড়তে পারে তাই লেখক সে অনুযায়ী লাল নীল দীপাবলি বইটি রচনা করেছেন।

লাল নীল দীপাবলি, বাঙলা সাহিত্যের জন্মকথা
লাল নীল দীপাবলি। চিত্রসূত্র: লেখকের নিজস্ব সংগ্রহ

বিষয়বস্তু

লাল নীল দীপাবলি বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস। লেখক কয়েকটি অনুচ্ছেদাকারে এই ইতিহাস ধারাবাহিকভাবে রচনা করেছেন। মোট ২৮টি অনুচ্ছেদে বিভক্ত লাল নীল দীপাবলি বইটি। 

অনুচ্ছেদেসমূহ 

লাল নীল দীপাবলি, বাঙালি বাঙলা বাঙলাদেশ, বাঙলা সাহিত্যের তিন যুগ, প্রথম প্রদীপ: চর্যাপদ, অন্ধকারের দেড় শো বছর, প্রদীপ জ্বললো আবার: মঙ্গলকাব্য, চণ্ডীমঙ্গলের সোনালি গল্প, মনসামঙ্গলের নীল দুঃখ, কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র, উজ্জ্বলতম আলো: বৈষ্ণব পদাবলি, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, চৈতন্য ও বৈষ্ণবজীবনী, দেবতার মতো দুজন এবং কয়েকজন অনুবাদক, ভিন্ন প্রদীপ: মুসলমান কবিরা, আলাওল, লোকসাহিত্য: বুকের বাঁশরি, দ্বিতীয় অন্ধকার, অভিনব আলোর ঝলক, গদ্য: নতুন সম্রাট, গদ্যের জনক ও প্রধান পুরুষেরা, কবিতা: অন্তর হ’তে আহরি বচন, উপন্যাস: মানুষের মহাকাব্য, নাটক: জীবনের দ্বন্দ্ব, রবীন্দ্রনাথ: প্রতিদিনের সূর্য এবং বিশশতকের আলো: আধুনিকতা।

কয়েকটি অনুচ্ছেদের বর্ণনা 

লাল নীল দীপাবলি 

লাল নীল দীপাবলি অনুচ্ছেদ বইটির শিরোনাম অনুচ্ছেদ। সাহিত্য মূলত বিভিন্ন লেখকের লেখার সম্ভার। আর সাহিত্যের মূল উপজীব্য হলো বই, আর এসব বইকেই লেখক এক একটা প্রদীপের সাথে তুলনা করে লিখেছেন লাল নীল দীপাবলি অনুচ্ছেদ।

লেখকের ভাষায়,

যদি তুমি চোখ মেলো বাঙলা সাহিত্যের দিকে, তাহলে দেখবে জ্বলছে হাজার হাজার প্রদীপ; লাল নীল সবুজ, আবার কালোও। হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে রচিত হচ্ছে বাঙলা সাহিত্য। এর একেকটি বই একেকটি প্রদীপের মতো মতো আলো দিচ্ছে আমাদের।

বাঙালি বাঙলা বাঙলাদেশ 

এই অনুচ্ছেদে লেখক বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, বাঙলা ভাষার উৎপত্তি এবং বর্তমান বাঙলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন।

বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় সম্পর্কে লেখক বলেছেন, একজন বাঙালি দেখতে কেমন? বাঙালিরা দেখতে ইংরেজের মতো ধবধবে সাদা নয়, নয় নিগ্রোর মতো মিশমিশে কালো। বাঙালিরা, অর্থাৎ আমরা, তুমি আমি এবং সবাই, আকারে হয়ে থাকি মাঝারি রকমের। আমাদের মাথার আকৃতি না-লম্বা না-গোল, আমাদের নাকগুলো  তীক্ষ্ণও নয়, আবার ভোঁতাও নয়, এর মাঝামাঝি। উচ্চতায় আমাদের অধিকাংশই পাঁচ ফুটের ওপরে আর ছয় ফুটের নিচে। এ হচ্ছে বাঙালির সাধারণ রূপ।

নৃতাত্ত্বিকেরা অনেক গবেষণা করে সিদ্ধান্তে এসেছেন আমাদের পূর্বপুরুষ হচ্ছে সিংহলের ভেড্ডারা।

বাঙলা ভাষা সম্পর্কে লেখক বলেছেন, বাঙলা ভাষা কোথ থেকে এলো? অন্য সকল কিছুর মতো ভাষাও ‘জন্ম’ নেয়, বিকশিত হয়,কালে কালে রূপ বদলায়। আজ যে-বাঙলা ভাষায় আমরা কথা বলি, কবিতা লিখি,গান গাই, অনেক আগে এ-ভাষা এরকম ছিলো না। বাঙলা ভাষার প্রথম বই ‘চর্যাপদ’ আমরা অনেকে পড়তে পারবো না, অর্থ তো একবিন্দুও বুঝবো না। কেননা হাজার বছর আগে যখন বাঙলা ভাষার জন্ম হচ্ছিল, তখন তা ছিলো আধোগঠিত। তার ব্যবহৃত শব্দগুলো ছিলো অত্যন্ত পুরোনো, যার অনেক শব্দ আজ আর কেউ ব্যবহার করে না। সে-ভাষার বানানও আজকের মতো নয়। বাঙলা ভাষা আরো একটি পুরোনো ভাষার ক্রমবদলের ফল। ওই পুরোনো ভাষাটির নাম ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা’। এ-প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা মানুষের মুখে মুখে বদলে পরিণত হয়েছে বাঙলা ভাষায়।

বাঙলা সাহিত্যের তিন যুগ 

বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনভাগে বিভক্ত। আর এই তিন ভাগকে বলা হয় বাঙলা সাহিত্যের তিন যুগ। তিন যুগ হলো: প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। লেখক এই অনুচ্ছেদে এই যুগগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণী দিয়েছেন।

প্রাচীন যুগ: ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাঙলা সাহিত্যের প্রাচীন বা আদি যুগ বলা হয়। এই যুগের অন্যতম প্রধান নিদর্শন হলো চর্যাপদ। চর্যাপদ বাঙলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন। 

মধ্যযুগ: ১২০০ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বলা হয় মধ্যযুগ। মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল বৈষ্ণব পদাবলি। 

আধুনিক যুগ: ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সময়কে বলা হয় বাঙলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ। এই যুগেই সাহিত্যর উৎকর্ষ সাধিত হয়। বিশ্বের অন্যতম সেরা সাহিত্যের কাতারে স্থান করে নেয়।

প্রথম প্রদীপ: চর্যাপদ

চর্যাপদ , বাঙলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন
চর্যাপদ । চিত্রসূত্র: কালেরকণ্ঠ

বাঙলা ভাষার প্রথম বই এর নাম চর্যাপদ। লেখক এই অনুচ্ছেদে সবথেকে আদি নিদর্শন চর্যাপদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। চর্যাপদের রচনা কাল ৯৫০ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে।

চর্যাপদ সম্পর্কে লেখক বলেছেন, চর্যাপদ কতগুলো পদ বা কবিতা বা গানের সংকলন। এতে আছে ৪৬টি পূর্ণ কবিতা এবং একটি ছেঁড়া খন্ডিত কবিতা। তাই এতে কবিতা রয়েছে সাড়ে ছেচল্লিশটি। এ-কবিতাগুলো লিখেছিলেন ২৪জন বৌদ্ধ বাউল কবি, যাঁদের ঘর ছিলো না, বাড়ি ছিলো না; যাঁরা ঘর চান নি, বাড়ি চান নি। সমাজের নিচুতলার অধিবাসী ছিলেন আমাদের ভাষার প্রথম কবিকুল।

অন্ধকারে দেড়শো বছর 

বাঙলা সাহিত্যের মধ্যযুগ শুরু সময়ে অন্য আরও একটি যুগের ধারণা পাওয়া যায়। যাকে বলা হয় অন্ধকার যুগ। লেখক এই অনুচ্ছেদে এই অন্ধকার যুগ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন।

বাঙলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের সময়কাল ১২০০ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ। এই যুগকে অন্ধকার যুগ বলার কারণ এই সময়ে সাহিত্যের তেমন কোনো নিদর্শন পাওয়া যায়নি। পণ্ডিতেরা মনে করেন যে, এই সময়ে বাঙলায় মুসলমানেরা আক্রমণ করে বাঙলা দখল করে নেয় যার ফলে বাঙলা জুড়ে শুরু হয় অরাজকতা। আর এই অরাজকতার কারণে ১২০০ থেকে ১৩৫০ এই দেড়শো বছর কোনো সাহিত্য রচিত হয়নি। একারণে এই সময়কালকে বাঙলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়।

হুমায়ুন আজাদ 

হুমায়ুন আজাদ, বাঙলা সাহিত্যের গবেষক
হুমায়ুন আজাদ । চিত্রসূত্র: সময় এখন

হুমায়ুন আজাদ বাঙলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী, সত্যনিষ্ঠ, বহুমাত্রিক লেখক; তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, রাজনীতিক ভাষ্যকার, কিশোরসাহিত্যিক, যাঁর রচনার পরিমাণ বিপুল। 

জন্ম ২৮ এপ্রিল ১৯৪৭, বিক্রমপুরের রাড়িখালে। ডক্টর হুমায়ুন আজাদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙলা বিভাগের অধ্যাপক এবং সভাপতি। ২০০৪-এর ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির বই মেলা থেকে ফেরার সময় চাপাতি দিয়ে আক্রমণ করে মৌলবাদীরা তাঁকে গুরুতররূপে আহত করে, কয়েকদিন মৃত্যুর মধ্যে বাস করে তিনি জীবনে ফিরে আসেন। তাঁর জন্যে সারা বাংলাদেশ এমনভাবে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিল, যা আগে কখনো ঘটে নি। ৭ আগস্ট ২০০৪ PEN-এর আমন্ত্রণে কবি ‘হাইন’ এর উপর গবেষণাবৃত্তি নিয়ে জার্মানি যান। এর পাঁচদিন পর ১২ আগস্ট ২০০৪ মিউনিখস্থ ফ্ল্যাটের নিজ কক্ষে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। 

হুমায়ুন আজাদ, বাঙলা সাহিত্যের গবেষক
হুমায়ুন আজাদ । চিত্রসূত্র: বিডিনিউজ ২৪

তাঁর প্রকাশিত বই ৬০-র অধিক। তাঁর বইগুলোর মধ্যে রয়েছে— 

কাব্যগ্রন্থ : অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, যতই গভীরে যাই মধু যতই উপরে যাই নীল, আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে, আধুনিক বাঙলা কবিতা, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু এবং পেরোনোর কিছু নেই।

কথাসাহিত্য : ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল, সব কিছু ভেঙে পড়ে, মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ, যাদুকরের মৃত্যু, শুভ্রব্রত: তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ, কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ, নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু, ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ, শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা, ১০০০০ এবং আরো ১টি ধর্ষণ, একটি খুনের স্বপ্ন এবং পাক সার জমিন সাদ বাদ।

ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল বইয়ের প্রচ্ছদ
ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল বইয়ের প্রচ্ছদ । চিত্রসূত্র: অ্যামাজন 

আরও পড়ুন: দ্য প্রফেট: একজন মহাপুরুষের উপদেশনামা

প্রবন্ধ/সমালোচনা : রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তা, নিঃসঙ্গ শেরপা, শিল্পকলার বিমানবিকীকরণ ও অন্যান্য প্রবন্ধ, ভাষা-আন্দোলন: সাহিত্যিক পটভূমি, নারী, প্রতিক্রিয়াশীলতার দীর্ঘ ছায়ার নিচে, আমার অবিশ্বাস, পার্বত্য চট্টগ্রাম: সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা, মহাবিশ্ব, দ্বিতীয় লিঙ্গ (মূল: সিমোন দ্য বোভোয়ার), আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম, ধর্মানুভূতির উপকথা ও অন্যান্য, আমার নতুন জন্ম, আমাদের বইমেলা ভাষাবিজ্ঞান, Pronominalization in Bengali, বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র, বাক্যতত্ত্ব, বাঙলা ভাষা ১ও২ খন্ড, তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান এবং অর্থবিজ্ঞান। 

কিশোর সাহিত্য :  লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী, আব্বুকে মনে পড়ে, বুকপকেটে জোনাকিপোকা, আমাদের শহরে একদল দেবদূত, অন্ধকারে গন্ধরা এবং Our Beautiful Bangladesh.

কতো নদী সরোবর
কতো নদী সরোবর। চিত্রসূত্র: লেখকের নিজস্ব সংগ্রহ

অন্যান্য : হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সাক্ষাৎকার, আততায়ীদের সঙ্গে কথোপকথন, বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রধান কবিতা। তাঁর ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না ও আব্বুকে মনে পড়ে জাপানি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। [১] 

তো আর দেরি কেনো? বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস আনন্দের সাথে পড়তে, পড়ে ফেলুন লাল নীল দীপাবলি বইটি। বইটি সাহিত্যের ইতিহাস হলেও এটি নিজেই একটি অসাধারণ সাহিত্যকর্ম যা বাঙলা সাহিত্যে বিরল।

তথ্যসূত্র:

১. হুমায়ুন আজাদ রচিত মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ গ্রন্থে উল্লিখিত লেখকের জীবনী।

প্রচ্ছদসূত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স 

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on বাঙলা সাহিত্যের জন্মকথা: লাল নীল দীপাবলি

কমেন্ট করুন

অসামান্য

error: Content is protected !!