জলাতঙ্ক বনাম পাস্তুর: জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী মানবসভ্যতা

5
(4)
Bookmark

No account yet? Register

১৮৮৫ সাল, প্যারিস। বাড়ির সদর দরজার সামনে খেলা করছিল নয় বছরের একটি ছোট্ট শিশু যোসেফ। মা তখন ব্যস্ত ঘরের কাজে। হঠাৎ ছেলের কান্নার আওয়াজ শুনে চমকে উঠলেন। তাড়াতাড়ি দৌড়ে গেলেন সদর দরজায়। সামনের দৃশ্যের জন্য আদৌ প্রস্তুত ছিলেন কিনা জানা যায়নি; তবে ভয়ে, অজানা আশঙ্কায় তাঁর সম্পূর্ণ শরীর অসাড় হয়ে গেল। একটা পাগলা কুকুর চাপা গর্জনের সঙ্গে সজোরে কামড়ে ধরেছে অবুঝ শিশুটির পা। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। তৎক্ষণাৎ সম্বিত ফিরে পেয়ে শিশুটির মা কুকুরটাকে একটা জোরে লাথি মারলেন। ফলে কুকুরটা একটু দূরে ছিটকে পড়লাে। শিশুটির রক্তমিশ্রিত লালা ঝরছে কুকুরের মুখ থেকে। সেই মায়ের মনে তখন কাজ করছিল কেবল এক নীরব ঘাতকের কথা, জলাতঙ্ক যার নাম।

অসামান্যতে লিখুন
কুকুর থেকেী জলাতঙ্কের উৎপত্তি।
কুকুরের কামড় থেকে জলাতঙ্ক  চিত্রসূত্র: Dworkenlaw

মা কিচ্ছু ভেবে পাচ্ছেন না! জলাতঙ্ক হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। বাঁচার কোনাে আশা নেই! ছেলেকে নিয়ে ছুটলেন স্থানীয় ডাক্তারের কাছে। একটিই আর্জি, ছেলেকে বাঁচিয়ে দিন। যােসেফের পায়ের ক্ষতের ড্রেসিং করতে করতে ডাক্তারের মুখেও একটিই কথা যা তিনি অন্য অনেক রোগীদেরকেও বলেছেন- 

এই রােগের কোনাে ওষুধ নেই। মৃত্যু আসবে দু’সপ্তাহের বা খুব জোর হলে একমাসের মধ্যে। ভবিতব্যকে মেনে নিন। তা ছাড়া কোনাে উপায় নেই।

শিশুটির মায়ের মুখের করুণ চাহুনি ডাক্তারের নজর এড়ালো না। ডাক্তারের শিশুটির জন্যও মায়া হচ্ছিল, তিনি বললেন-

আমাদের এখানে লুই-পাস্তুর নামক একজন বিজ্ঞানী জলাতংকের প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন। আপনি আপনার ছেলেকে তাঁর নিকট নিয়েও দেখতে পারেন। তবে ফলাফল শূন্য থেকে বেশি কিছুর আশা করা অনুচিত।

যোসেফের উপরে প্রথম ট্রায়াল হয়েছিল।
 জলাতঙ্ক আক্রান্ত শিশু জোসেফ মেইস্টার; চিত্রসূত্র – Time Magazine

শিশুটির মায়ের মুখে তখন হাজার ওয়াটের টিউব লাইটের আলো ফুটে না উঠলেও তিনি আঁকড়ে ধরার আশাটুকু পেয়ে ছুটে চললেন বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের কাছে। এর পরের ঘটনা বোঝার জন্য আমাদের কিছুটা পিছনে ফিরে যেতে হবে। চলুন অতীত থেকে ঘুরে আসি।

প্রাককথন 

সালটা সম্ভবত ১৮৩১ সাল। লুই পাস্তুর তখন অনেক ছোট এবং গ্রামে বসবাস করতেন। একদিন গ্রামের এক দরিদ্র কৃষককে পাগলা কুকুরে কামড়ে দেয়। আর সেই জন্য রোগ থেকে বাঁচানোর তাগিদে তাকে ধরে বেঁধে সবাই গরম লোহা আক্রান্ত স্থানে চেপে ধরে। এই অসহ্য যন্ত্রণায় কৃষকটির গগনবিদারী চিৎকার আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তুলেছিল। এই বিমর্ষ ঘটনা শিশু লুই পাস্তুরকে এক মুহূর্তের জন্য ভাবিয়ে তুলেছিল – 

কী হতে পারে এর কারণ? পাগলা কুকুরে কামড়ালে মানুষের এই ভয়ঙ্কর রোগটা কেনই বা হয়? আমি যেদিন বড় হবে এই জিনিস নিয়েই কাজ করবো।

জলাতঙ্ক জীবাণু আবিষ্কার

লুই পাস্তুর তখন মোটামুটি বিজ্ঞানী। যেখানে থাকতেন, আশপাশে অনেক মদ তৈরির কারখানা ছিল। মদ তৈরির কয়েকদিন পর তা পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে শহরের মদ ব্যবসায়ীরা তাঁকে এর কারণ এবং এর থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় আবিষ্কারের জন্য অনুরোধ করেন।

মাইক্রোস্কোপের নিচে জলাতঙ্কের জীবাণু।
অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে জীবাণু। চিত্রসূত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স 

এরপর মদ নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে তিনি তুলনামূলকভাবে ভালাে মদ ও পচা মদকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন। দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি দেখলেন-

একধরনের জীবাণু যেমন মদ তৈরিতে অবদান রাখে ঠিক তেমনি আরেক ধরনের জীবাণু মদকে পচিয়ে। যদি অতি উচ্চ কিংবা অতি নিম্ন তাপমাত্রা প্রয়োগ করা হয় তাহলে আর জীবাণুগুলোর অস্তিত্ব থাকে না।

তিনি তার পর্যবেক্ষণকৃত তথ্য ব্যবসায়ীদের সামনে তুলে ধরলেন এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে বললেন-

কোনাে জিনিস পচে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার মূলে রয়েছে এক ধরনের জীবাণু। আমাদের চারপাশের বাতাসও বিভিন্ন জীবাণুতে ভর্তি। কোনাে তরল পদার্থ থেকে সব জীবাণু নষ্ট করে সেটিকে যদি হাওয়ার সংস্পর্শের বাইরে রাখা যায় তাহলে তা পচবে না। মদ থেকে জীবাণুগুলােকে কাবু করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, মদকে ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপে খানিকক্ষণ গরম করে রেখে দিলে ক্ষতিকর জীবাণু মরে যাবে এবং তারপর মদ আর পচবে না।

লুই পাস্তর ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রথিতযশা চিকিৎসক।
চিত্র: লুই পাস্তর; চিত্রসূত্র – উইকিমিডিয়া কমন্স

স্বপ্ন পূরণের হাতছানি

লুই পাস্তুরের নির্দেশিত পন্থা অনুসরণ করে ব্যবসায়ীদের বিদ্যমান সমস্যার অবসান ঘটার পাশাপাশি সমসাময়িক বিজ্ঞানীরা তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কার মেনে নিলেন। এভাবেই লুই-পাস্তুরের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা পেল অণুজীববিজ্ঞান বা আধুনিক মাইক্রোবায়োলজির। কিন্তু পাস্তুরের মনে জলাতঙ্কের কারণ উদঘাটনের সুপ্ত বাসনা তখনও বিদ্যমান। তিনি ভাবলেন,

এমনও তাে হতে পারে যে এই সুক্ষ্ম জীবাণুগুলােই সেই ভয়ংকর রোগের কারণ।

ভাবনার পাশাপাশি এ নিয়ে বিস্তৃত গবেষণায় মনোনিবেশ করলেন। ধৈর্যের সাথে পরীক্ষা করে পাস্তুর আবিষ্কার করলেন যে এটিও এক ধরনের জীবাণুর কাজ। 

জলাতঙ্ক রোগের জীবাণু
জলাতঙ্কের জন্য দায়ী Rabis Virus; চিত্রসূত্র: WHO

তিনি এসময় জলাতঙ্ক প্রতিরোধের জন্য ১৭৯৬ সালে প্রদত্ত এডওয়ার্ড জেনারের ভ্যাকসিন আইডিয়াকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করলেন। এখানে উল্লেখ্য ডা. এডওয়ার্ড জেনার যখন বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন, তখনো তিনি জানতেন না এগুলো একধরনের জীবাণুর কাজ।

আরো পড়ুন: ভ্যাক্সিন আবিষ্কার: ড. এডওয়ার্ড জেনার এবং মানবজাতির বসন্তজয় 

কম শক্তিসম্পন্ন জীবাণু দিয়ে একই ধরনের তীব্র শক্তিসম্পন্ন জীবাণুদের বিরুদ্ধে প্রতিরােধ গড়ে তােলা যায়। এই কম শক্তিসম্পন্ন জীবাণুগুলাে দেহে প্রবেশ করালে রােগের সৃষ্টি করতে পারে না, কিন্তু এক আশ্চর্য উপায়ে এরা সেই একই ধরনের তীব্র শক্তিসম্পন্ন জীবাণুবিরােধী শক্তিতে পরিণত হয়। এভাবেই এরা তীব্র শক্তিসম্পন্ন জীবাণুদের আক্রমণ প্রতিরােধ করে। তাই আর সেই রােগ হতে পারে না।

জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রচেষ্টা  

লুই পাস্তরের সর্বাধিক বড় সাফল্য ছিল জলাতঙ্ক টিকা আবিষ্কার।
লুই পাস্তুরের কুকুরের জীবাণু এবং জলাতঙ্ক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা; চিত্রসূত্র:The Scientist Magazine

পাস্তুর এরপর কুকুর থেকে জলাতংকের জীবাণু বের করে মূল জীবাণু থেকে সেটিকে অধিক দুর্বল করে ফেললেন। সেই জীবাণুগুলাে দিয়ে তৈরি করলেন জলাতঙ্ক রােগের প্রাথমিক ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিন তিনি বিভিন্ন জীবজন্তুর মধ্যে প্রয়োগ করে দারুণ সাফল্যের দেখা পেলেন। কিন্তু তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনেকদিন ধরে জীবজন্তুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তার ভয় ছিল, মানুষকে সুস্থ করার পরিবর্তে আবার অসুস্থ না করে ফেলেন!

এর কার্যকারিতার ব্যাপারে কিছুটা সন্দিহান থাকার কারণে প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন নিজের উপরেই এর প্রয়োগ করে এর কার্যকারিতার ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন। এই নিয়ে তিনি তার বন্ধুকে চিঠি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে … …

অতীত থেকে বাস্তবে 

শিশুটিকে কোলে নিয়ে তার মা ডাক্তারখানা থেকেই লুই পাস্তুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে ছুটলেন। দেখা করলেন পাস্তুরের সঙ্গে। বললেন, 

আমার একমাত্র ছেলে। যেভাবে হােক বাঁচান ওকে। 

তাঁকে পাস্তর অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন। বললেন,

একথা সত্যি যে আমি জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা করছি এবং আংশিক সাফল্যও পেয়েছি। এই টিকা তৈরি করেছি জলাতঙ্কতে ভুগতে থাকা কুকুরের স্পাইনাল কর্ডের টিস্যুকে ফরমালিন দিয়ে আংশিকভাবে অকেজো করে। এই টিকা কুকুরের দেহে প্রয়ােগ করে সাফল্য পেয়েছি এবং এটি কুকুরের শরীরে জলাতঙ্ক প্রতিরােধ করতে সক্ষম। কিন্তু মানুষের শরীরে এর প্রয়ােগ এখনও করা হয়ে ওঠেনি অর্থাৎ ‘হিউম্যান ট্রায়াল’ এখনো হয়নি। হিউম্যান ট্রায়ালে সফল হলে তবেই একমাত্র এই টিকা মানুষের শরীরে দেওয়ার উপযুক্ত বলে গণ্য হবে তার আগে নয়। 

সব শুনে লুই পাস্তুরের সামনে শিশুটিকে শুইয়ে দিলেন তাঁর মা। বললেন, 

ওর উপরেই হিউম্যান ট্রায়াল করুন। ওকে পাগলা কুকুরে কামড়েছে। আজ না হােক কাল ও মরবেই। আপনার টিকার দৌলতে যদি বাঁচে! দয়া করে আপনি ওকে বাঁচিয়ে দিন। যদি টিকা প্রয়োগের ফলে ও যদি মারাও যায় তাহলে আমার পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। এই ভেবে সান্তনা পাবো আমার সন্তানকে মানব কল্যাণে উৎসর্গ করতে পেরেছি।  

পাস্তুর ভীষণ ভাবনার মধ্যে পড়ে গেলেন! একটা ন’বছরের বাচ্চার উপর হিউম্যান ট্রায়াল! ওইটুকু শরীর কি এই মারাত্মক রােগের টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ্য করতে পারবে? যদি টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্যই যােসেফ মারা যায়। নিজেকে কি জবাব দেবেন তিনি? 

জলাতঙ্ক টিকা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।
জলাতঙ্ক আক্রান্ত শিশু জোসেফ মেইস্টারের উপর টিকা প্রয়োগ; চিত্রসূত্র: Angelfire

পাস্তুর পরামর্শ করলেন নিজের সহকারীদের সঙ্গে। স্থির হলো শিশুটির উপরেই প্রথম প্রয়ােগ করা হবে এই টিকা! প্রয়ােগ করা হলো। পাস্তুর এবং তাঁর সহকর্মীদের নেকনজরে রইলাে নয় বছরের ছোট্ট শিশুটি। একদিন, দুদিন করে বেশ কয়েকদিন কেটে গেলাে। কিন্তু শিশুটির শরীরে জলাতঙ্কের কোনাে লক্ষণ দেখা গেল না। হিউম্যান ট্রায়াল সফল! আবিষ্কার হল সভ্যতার অন্যতম আতঙ্ক জলাতঙ্কের প্রতিষেধক!

সমস্ত মানব সমাজ পাস্তুরের এই যুগান্তকারী সাধনার ফলকে অভিনন্দন জানালো। ফ্রান্সের অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স এক অনুষ্ঠানে তাঁকে সংবর্ধনা জানালেন। এক ভাষণে অ্যাকাডেমি অফ সাইন্সের চেয়ারম্যান বললেন, আজকের দিন চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে চিরকাল।

জলাতঙ্কের লক্ষণ 

পাগলা কুকুর মানুষকে কামড়ালে হাইড্রোফোবিযা (Hyodrophobia) বা জলাতঙ্ক (Rabies)রােগ হয়। কামড়ানাের প্রায় ছয় সপ্তাহ পর সাধারণত রােগের লক্ষণ দেখা যায়। প্রথমে রােগীর গা ম্যাজ ম্যাজ করে, অবসাদ আসে ও অল্প জ্বর হয়। এরপর রােগের চরম অবস্থা আসে। পানি দেখলেই তার গলার মাংসেপশীর ভয়ংকর খিঁচুনি শুরু হয়। সেই খিঁচুনি পরে সমস্ত দেহের মাংসপেশিতে ছড়িয়ে পড়ে। রােগী মাথায় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করে। মাথা ছিঁড়ে যাবার উপক্রম হয়। পানিকে খুব ভয় পায় বলেই রােগটির নাম হাইড্রোফোবিয়া বা জলাতঙ্ক। ধীরে ধীরে তার দেহের মাংসপেশিগুলাে সম্পূর্ণ অবশ হয়ে যায় এবং পরিমিত ভ্যাকসিন প্রয়োগ না করা হলে এক সপ্তাহের মধ্যে রােগী মারা যায়।

হাজার হাজার বছর ধরে জলাতঙ্ক রােগটি মানুষের চরম ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। লুই পাস্তুর নামক এক মানব সন্তানের ছোট বেলায় নিছক খেয়ালের বসে করা প্রতিজ্ঞা থেকে আমরা পেলাম পৃথিবীর যুগান্তকারী আবিষ্কার। জয় করলাম ভয়ংকর রোগ জলাতঙ্কের আতঙ্ককে, মানব সভ্যতা এগিয়ে গেলো আরো এক ধাপ। সবচেয়ে বড় কথা আমরা যে আজ করোনা ভাইরাসকে ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত করতে পেরেছি এই ক্ষেত্রেও পাস্তুরের জীবাণু তথ্য আমাদের ওতপ্রোতভাবে সাহায্য করেছে।

এ পর্যন্ত পাস্তুরের আবিষ্কৃত টিকা প্রয়ােগ করে প্রাণ বাঁচানাে হয়েছে কোটি কোটি মানুষের। বিজ্ঞান কখনও থেমে থাকে না। বাজারে এখন অনেক উন্নত প্রযুক্তির টিকা এসেছে, আবিষ্কৃত হয়েছে জীবাণু নিয়ে ধোঁয়াশা থাকা অনেক রহস্য। কিন্তু তাই বলে লুই পাস্তুরের নাম ইতিহাসে আজও অমলিন। অণুজীববিজ্ঞানের জনক লুই পাস্তুরের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে এবং চিরদিন লেখা থাকবে।

গ্রন্থসূত্র:

  • চৌধুরী, শুভাগত। চিকিৎসা বিজ্ঞানে আবিষ্কারের গল্প। ISBN:9789848857052। হেরা প্রিন্টার্স।

তথ্যসূত্র:

ফিচার চিত্রসূত্র – পিক্সাবে

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
No Thoughts on জলাতঙ্ক বনাম পাস্তুর: জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী মানবসভ্যতা

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!