প্রচ্ছদচিত্র

আলো-আঁধারে: প্রিন্সেস ডায়ানা, মাদার তেরেসা ও মহাত্মা গান্ধী

সিদরাতুল মুনতাহার
3.8
(4)
Bookmark

No account yet? Register

Carry out a random act of kindness, with no expectation of reward, safe in the knowledge that one day someone might do the same for you.

Princess Diana

কপটতা আর শঠতার এই যুগে দয়া আর মানবতার এরকম উক্তি যেন কোনো স্বর্গীয় বাণীর চেয়ে কম না। তবে আমার মনে হয় কি জানেন, এই যে আপনি যিনি ঠিক স্ক্রিনের ওপাশে বসে উক্তিটি পড়ছেন এক মুহূর্তের জন্য হলেও আপনার মনে হয়েছে আচ্ছা পৃথিবীটা ঠিক এরকম হলেও মন্দ হত না। 
আপনি আমি না বুঝলে কী হবে গান্ধীজি কিন্তু ঠিক ধরতে পেরেছিলেন, মানুষের জীবন কেবল জন্মকাল ও মৃত্যুকালের বিয়োগফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অবিনশ্বর বলে একটি শব্দ যে বাংলা অ্যাকাডেমি তাদের বাংলা অভিধানে রেখেছে আর তার তাৎপর্যও যে ঢের বেশি, তা তাঁর উক্তি  থেকে বেশ ভালোভাবে বোঝা যায়। 

Where there is love there is life.

Mahatma Gandhi
ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী
ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী। চিত্রসূত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স

শব্দের গুরুত্ব কিন্তু এর অর্থের উপর ষোলো আনা নির্ভর করে। আর শব্দের অর্থ উপলব্ধি করতে পারলে মানুষ যেন ঠিক শব্দটির মধ্যে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পায়। 

I have found the paradox, that if you love until it hurts, there can be no more hurt, only more love.

Mother Teresa

আলবেনিয়ার ছোট্ট শহরটিতে জন্ম নেওয়া তেরেসা জীবন, দুঃখ, ভালোবাসা তিনটির মধ্যেই সংযোগ করেছিলেন। 

মাদার তেরেসা সবসময়ই হাস্যজ্বল এক প্রতিমা ছিলেন
মাদার তেরেসা সবসময়ই হাস্যজ্বল এক প্রতিমা ছিলেন। চিত্রসূত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স

জন্মগ্রহণ করেন অটোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত আলবেনিয়া রাজ্যের স্কপিয়ে। জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন ভারতে অসহায় মানষের সাথে। নির্মল হৃদয়, শান্তি নগর একেকটি দেবালয়। তেরেসা নিজ হাতে গড়ে দিয়ে গেছেন এই স্বর্গপুরী।

A beautiful death is for people who lived like animals to die like angels — loved and wanted.

নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিও তেরেসার কাজের মহত্ত্বকে পুরোপুরি ধারণ করতে পারে না বলে মনে করেন অনেক বিশারদ। জীবন আর কর্ম শব্দের তাৎপর্যের মধ্যে পুরোপুরি ডুবে গিয়েই হয়ত জীবনের সন্ধান পেয়েছিলেন। ১৮ বছর বয়সে জীবনের যাবতীয় বিলাসিতা বিসর্জন দেওয়া অবশ্যই চাট্টিখানি কথা নই। তবে নিজের কাজ নিয়ে যে সমালোচিত হননি, পদে পদে ধাক্কা খাননি এমনটা নয়। সেরকম না হলে হয়তো ইতিহাসের পাতা আরও সহস্রখানেক প্রতিভাবান মানুষের পদাচরণে অলংকৃত থাকত। সমাজে হিতকর মানুষ যেমন আছে তেমনি কুৎসা রটনাকারীরও অভাব নেই। 

মাদার তেরেসা নিজ হাতে কুষ্ঠ রোগীদের সেবা করেন। নীল আকাশের নিচে রাস্তার দুই ধারে ফুটপাতে থাকা অসহায় মানুষদের নিজ হাতে সেবা করেছেন। এতিম ও বসতিহীন শিশুদের জন্য স্বর্গ তৈরি করেছেন তিনি। কিন্তু সমালোচনা থামেনি। সমালোচকরা তার দার্শনিক চিন্তাধারা নিয়ে বরাবরের মতই বলে গিয়েছেন। তার চিন্তাধারা নিয়ে  ডেভিড স্কট বলেছেন, মাদার তেরেসা স্বয়ং দারিদ্র্য বিমোচনের বদলে ব্যক্তি মানুষকে জীবিত রাখার উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। 

এছাড়াও তার কেন্দ্রের সেবার মান নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কেন্দ্রগুলোর জীবনযাত্রার নিম্নমান ও সমালোচিত হয়েছে। 

পাপারাজ্জি আর সমালোচক শব্দ দুইটি যেন বিখ্যাত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনের ওতপ্রোত বিষয়। সমালোচক চায়ের কাপে ঝড় তুলে প্রতিটা কর্মের চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। এতে অবশ্য মন্দের মন্দ কিছু হয় না উল্টো মেঘ না চাইতে বৃষ্টির আবির্ভাব। তবে পাপারাজ্জিদের তুলনা হয় না। এরা আপনাকে এক দণ্ডের জন্য একলা থাকতে দিবে না। 

যদি প্রিন্স ডায়ানার কথাই বলি, ডায়ানা তার বিবাহ পরবর্তী ১৬ বছরের জীবনে এক মুহূর্ত মিডিয়ার চোখ থেকে আড়াল হতে পারেননি। তিনি যেখানেই গিয়েছেন সাংবাদিকরা তার পিছনে ছায়ার মতো সঙ্গী হয়েছিলো। ৩০ আগস্টের ঘটে যাওয়া সেই দূর্ঘটনার পিছনে পাপারাজ্জিদেরকেও দায়ী করে কোনো কোনো সূত্র। সেই রাতে ডায়ানা যেই কালো রঙের মার্সিডিজ করে হোটেল ফেরত আসছিলেন তার পিছু নিয়েছিল বেশ কিছু মোটরগাড়ি। ডডি এবং ডায়ানার ছবি তোলাই ছিল তাদের উদ্দেশ্যে। তাদের পিছু ছাড়তেই মূলত চালক হেনরি খুবই দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়েছিলেন যেটি তাদের সকলের জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ক্যামেরার ফ্ল্যাশের তীব্রতা এতই বেশি ছিলো যে, অনেকেই এটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন সেই রাতে দূর্ঘটনার পিছনে এই পাপারাজ্জিদের ভূমিকা ছিলো সবচেয়ে বেশি। এটিও ধারণা করা হয়, তারা সপ্রণোদিতভাবে এই দূর্ঘটনা ঘটিয়েছেন।

ফ্রেঞ্চ পুলিশ কমিটি দুর্ঘটনা স্থলে যখন পৌঁছান সেই সময় সাতজন সাংবাদিক সেইখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জন ছিলেন ফরাসি আর একজন মেসিডোনিয়ান। তাদের প্রত্যেককেই গ্রেফতার করা হয়  এবং যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। যদিও পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় কোন প্রকার দোষ খুঁজে না পাওয়ায়।

সেবামূলক কাজের মাধ্যমে রাণী ডায়ানা মানবহৃদয় জয় করেছিলেন
সেবামূলক কাজের মাধ্যমে রাণী ডায়ানা মানবহৃদয় জয় করেছিলেন। চিত্রসুত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স

রাণী ডায়নার জীবনকাল ছিলো দুঃখে পরিপূর্ণ। বৈবাহিক জীবনে খুব কম সময়ই সুখী ছিলেন তিনি। রাজপরিবারের একজন বিশেষ সদস্য হওয়া বাদেও তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন তার মানবসেবামূলক কাজের জন্য। ১৯৮১ সালে তিনি রাজপরিবারের বধু হয়ে আসেন ডায়ানা। ইতিহাসের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে ছিলো চার্লস আর ডায়ানার বিয়ে। মাত্র ২০ বছর বয়সেই তিনি ডিউক অব সাসেক্স হয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই নানা বাধা তাকে মোকাবেলা করতে হয়েছে। মূলত চালর্স আর ডায়ানার বিবাহ সফল বিবাহ ছিলো না। বিবাহবন্ধনে তারা আবদ্ধ ছিলো মাত্র ১৫ বছর।

আরও পড়ুন: গান্ধী: একটি নাম, একটি জীবন, একটি সফল অধ্যায় (পর্ব-১)

প্রিন্সেস ডায়ানা মৃত্যুবরণ করেছিলেন মাত্র ৩৬ বছর বয়সে। তার মৃত্যু ছিল রহস্যে ভরা। অনেকেই মনে করেন তার মৃত্যু কোন সাধারণ মৃত্যু ছিল না। সূত্র মতে তার মৃত্যু ঘটেছিল সড়ক দুর্ঘটনাজনিত কারণে। ব্রেক ফেইলিয়রের কারণে মূলত দুর্ঘটনা ঘটে। তার চালক হেনরি পাউল অতিরিক্ত নেশারত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তার রক্তে নেশা জাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল এমনটাই বলে ল্যাব রিপোর্ট। 

১৯৯৭ সালের এক মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনার মাধ্যমে প্রিন্সেস ডায়ানা মৃত্যুবরণ  করেন।
১৯৯৭ সালের এক মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনার মাধ্যমে প্রিন্সেস ডায়ানা মৃত্যুবরণ  করেন। চিত্রসুত্র: The News Herald

ডায়ানার ব্যক্তিগত ডায়েরি থেকে অন্যরকম এক তথ্য জানা যায়, যেটি লেখা হয়েছিল মুলত ১৯৯৬ সালে চার্লসের সাথে তার বিবাহবিচ্ছেদের পরে। তাতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন,

longing for someone to hug me and encourage me to keep strong and hold my head high. This particular phase in my life is the most dangerous. X is planning ‘an accident’ in my car, brake failure and serious head injury in order to make the path clear for Charles to marry.

এরকম আরও বহু নির্দেশিকার মাধ্যমে ধারণা করা যায়, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর পিছনে হয়তো ছিল কোন ষড়যন্ত্র। 

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের প্যারিস টানেলে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ডায়ানাকে দুর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে উদ্ধার করেছিলেন স্যার জেবিয়ার গোরমেলোন, তিনি সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ডায়ানা এর উচ্চারিত শেষ বাক্য ছিল, My God, what’s happened?

জেবিয়ার আরও বলেন ডায়ানাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও তার মনে হয়েছিল ডায়ানা জীবিত থাকবেন। তিনি উল্লেখ করেন ডায়ানা এবং ডডি ফায়েদ কেউই সিটবেল্ট পরা ছিলেন না। যদি সিট বেল্ট পরা থাকতো হয়তো ডায়ানাকে দুইদিন পরেই জনসম্মুখে দেখা যেতো। দুর্ঘটনার একমাত্র জীবিত ব্যক্তি ছিলেন ডিয়ানা এর দেহরক্ষক ট্রেভর রোস জিনস। ধারণ করা হয় সিটবেল্ট পরিহিত থাকার কারণেই তিনি সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলন তিনি।

তবে জেবিয়ারও মনে করেন ডায়ানার মর্মান্তিক মৃত্যুর পিছনে তাদের গাড়িচালক হেনরির বেখেয়ালিভাবে গাড়ি চালানো আর অতিরিক্ত নেশা করাই দায়ী ছিল। এমনকি পাপারাজ্জিদের ভূমিকাও কম ছিল না। যেদিন দুর্ঘটনা  ঘটছিলো সেইদিন অনেক মোটরগাড়ি চালাক তাদের পিছু নিয়েছিলেন শুধুমাত্র ডায়ানা আর ফায়েদের ছবি তোলার জন্য।

ডায়ানার মৃত্যু হয়েছিল ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট। তার মৃত্যুর ২৩ বছর হতে চললেও এখন পর্যন্ত তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই।অনেকেই মনে করে তার মৃত্যু নিছকই দূর্ঘটনা ছিল না। একটি গভীর ষড়যন্ত্র ছিলো ব্রিটিশ পরিবারের তার বিরুদ্ধে। যদিও অনেক তথ্যানুসন্ধান করেও এই ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় নি। তবুও অনেকেই মনে করেন ডায়ানার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিলো না। 

ইতিহাস বলে এই পর্যন্ত ইতিহাসের পাতা অলংকৃত করা কোন ব্যক্তিই সাধারণ মৃত্যুবরণ করেন নি। অবশ্য সকল যে কোন না কোন ঘটনার  সম্মুখীন হয়েছেন এমন টাও নয়। তবে অধিকাংশ জনই  প্রথম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।গান্ধীজি ও  ব্যতিক্রম ছিলেন না।

গান্ধীজি নিরামিষভোজী ছিলেন। সুদূর লন্ডন এ গিয়েও (ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে) তিনি মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে অটল ছিলেন। যুক্ত ছিলেন থিওসফিক্যাল সোসাইটির (Theosophical Society) সাথে  যা ১৮৭৫ সালে সার্বজনীন ভাতৃত্বের উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল। ফলে সময়ের সাথে সাথে তিনি বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে অর্জন করেছিলেন প্রভুত জ্ঞান। বাপু আর মহাত্মা উপাধি পেয়েছিলেন চম্পারন আন্দোলনে যা ১৯১৮ সালে ঘটেছিল। এছাড়াও খেড়া সত্যাগ্ৰহ আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলন এইসব আন্দোলন এর মাধমে তিনি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা অর্জনে সঠিক পথের খোরাক যুগিয়েছিলেন। 

ইতিহাসের পাতার স্বর্ণাক্ষরিত মানুষগুলো তাদের জীবনকালে পরহিতকর কাজে নিযুক্ত থাকলেও মৃত্যু তাঁদের স্বাভাবিক ছিল না। বাপুজিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিলো। নাথুরাম গডসে (Nathuram Godse) ছিলেন তার হত্যাকারী। তাকে হত্যার পিছনে দেখিয়েছিলেন তিক্ত কিছু যুক্তি।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথিকৃৎ মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথিকৃৎ মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে। চিত্রসূত্র: উইকিমিডিয়া কমন্স

প্রাণের মিলন আশ্চর্যজনক। এই যেমন ডায়ানা এবং মাদার তেরেসা। মানব ধর্মই তাদের সারা জীবনের কর্মের মূল উদ্দেশ্য ছিল। 

ডায়ানা এবং মাদার তেরেসার মধ্যকার সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ।
ডায়ানা এবং মাদার তেরেসার মধ্যকার সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। চিত্রসূত্র :Popsugar/gettyimages

তাদের সময় আর আমাদের সময় মোটেও এক নয়। সময় ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছে। আপনি-আমিও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের চিন্তা ভাবনার ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু যেটা এখনও অপরিবর্তনীয় সেটা হল … আচ্ছা সব কেনও উল্লেখ করে দিতে হবে? একটু নাহয় আপনিই চিন্তা করে জানালেন! 

প্রচ্ছদ চিত্রসূত্র: Wallpaper Access

তথ্যসূত্র:

আপনার অনুভূতি জানান

Follow us on social media!

আর্টিকেলটি শেয়ার করতে:
One Thought on আলো-আঁধারে: প্রিন্সেস ডায়ানা, মাদার তেরেসা ও মহাত্মা গান্ধী
    harun
    28 Nov 2020
    1:11pm

    ইতিহাস বলে এই পর্যন্ত ইতিহাসের পাতা অলংকৃত করা কোন ব্যক্তিই সাধারণ মৃত্যুবরণ করেন নি। অবশ্য সকল যে কোন না কোন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন এমন টাও নয়। তবে অধিকাংশ জনই প্রথম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।গান্ধীজি ও ব্যতিক্রম ছিলেন না।

    সব মিলিয়ে দারুন একটা লেখা পরলাম।এগিয়ে যাও বনু।best of luck.

    0
    1

কমেন্ট করুন


সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহ:

error: Content is protected !!